দিল্লি: পৃথিবী সৃর্ষ্টি ঈশ্বরের, আমার সকলেই চলি তার সৃষ্টি করা বিধানে। তাহলে কি এই দুর্গের মেয়েদের সঙ্গে যা হয় সেখানেও তার হাত? এই প্রশ্ন আসা অনিবার্য কারণ এখানে যা হয় তা জানলে চমকে উঠবেন। একমাত্র মেয়েরাই এখানে অস্বাভাবিক আচরণ করে এখানে এলে। দিল্লির এই জায়গায় এমন কী আছে যার জন্যে মেয়েরা পরিবর্তন হয়ে যান? ঘটনাটি দিল্লির বাহাদুর শাহ জাফর রোডের ফিরোজ শাহ কোটলার।

এটি নাকি অভিশপ্ত, এমনটাই প্রচলিত রয়েছে। কথায় আছে আমাদের পৃথিবীতে যেমন আছেন ঈশ্বর তেমন রয়েছে জীন। ভালো ও খারাপ দুই ধরণের জীন রয়েছে এখানে। তাদের মধ্যেকার এক খারাপ জীন বিদ্রোহ করলো ঈশ্বরের বিরুদ্ধে। সেই সময়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ঈশ্বর তাকে অভিশাপ দিলেন। সেই দুনিয়ায় থেকে এই জীন ও তার বংশধরেরাই নাকি ঘুরে বেড়ায় এই কোটলায়।

এই কোটলা তৈরি করেন সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক। তবে নির্মাণের পর থেকেই নাকি সেখানে মহিলাদের উপর চলতো অকথ্য অত্যাচার। মেয়েদের উপর সেই নিষ্ঠুরতার কাহিনী আপনারা অনেক জায়গায় খুঁজে পাবেন। শুধু ভোগ করা নয়, তাদের যন্ত্রনায় ডুবিয়ে সেই আনন্দ উপভোগ করতেন এই সুলতান। দুর্গ ভেঙে যাওয়ার পরও সুলতানের তেজ কমেনি মেয়েদের উপর থেকে। তবে সেই অত্যাচার এখন আর সুলতান করেন না। তার মৃত্যুর পর এখন দুর্গ দখল করেছে ইবলিস জীন। তাই কোনো মেয়ে সেখানে গেলেই হয় তাকে ভর করে এই জীন নইলে সারাজীবন তাড়িয়ে বেড়ায় তাকে।

আরো পোস্ট- ঠিক দুপুরেই উঠে আসেন মহাদেব! আছে কোন রহস্য…

তবে এই জীনদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে মর্তে এলেন একদল ঈশ্বরের প্রেরিত দূত যাদের মধ্যে প্রধান ছিলেন লাট ওয়ালে বাবা। সেখানকার ভাষায় লাট মানে স্তম্ভ। কোটলায় রয়েছে এল বিশেষ সৌধ। তার আকৃতি পিরামিডের মতো। একে বলা হয় ‘মিনার-এ-জারিন’। মানুষের ধারণা যে এই বিশেষ স্তম্ভই শয়তানের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে মানুষকে। বৃহস্পতিবার করে সেখানে হয় বিশেষ পুজো। কেউ কেউ তাদের সোমলস্যার কথা কাগজে লিখে এখানে টাঙিয়ে দেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।