স্টাফ রিপোর্টার, বসিরহাট: বসিরহাটের মন্ডল বাড়িতে ঘটা করে করা চুরির কিনারা করল হাড়োয়া থানার পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া থানার বাছড়া মোহনপুর এলাকায়। ৪৮ ঘণ্টা আগে অর্থাৎ বুধবার গৃহস্থ শশাঙ্ক মন্ডলের বাড়িতে বড়োসড়ো চুরির ঘটনা ঘটে। জানা যায়, দুষ্কৃতীরা সাত ভরি সোনা, নগদ ৬০ হাজার টাকা চুরি করে চম্পট দিয়েছে ।মন্ডল পরিবার এই ঘটনায় হাড়োয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

এরপর হাড়োয়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক বাপ্পা মিত্র এই চুরির ঘটনা কিনারা করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খান। তদন্ত শেষ করতে গিয়ে দেখেন, এই চুরিতে যুক্ত মন্ডল পরিবারের বড় ছেলে । শেষ পর্যন্ত পুলিশ জানতে পারে সর্ষের মধ্যে ভূত লুকিয়ে রয়েছে। কিছুদিন ধরে বাড়ির বড় ছেলে বছর পঁচিশের সুশোভন মন্ডল মোটর বাইক কেনার জন্য বাবা ও মায়ের উপরে চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু মোটরবাইক দিতে নারাজ ছিল মন্ডল পরিবার। সেই কারনে বাড়ির টাকা ও গহনা চুরি করে বসে সে।

পুলিশ চুরির কিনারা করতে গিয়ে দেখে যে এই চুরির ঘটনায় অভিযুক্ত তাঁদের বাড়ির বড় ছেলে সুশোভন মন্ডল। গত বুধবার সাত ভরি সোনার গয়না সহ নগদ ৬০,০০০ টাকা সে আলমারি ভেঙ্গে সবার অলক্ষ্যে বাড়ির পিছনে মাছধরা জালের মধ্যে লুকিয়ে রেখেছিল।

বাবা শশাঙ্ক মন্ডল এর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরবেলা নিজের বাড়ি থেকে সুশোভনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। চুরি হওয়া সাত ভরি সোনা ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে সুশোভনের কাছ থেকেই। ধৃত ছেলেকে জেরা করছে হাড়োয়া থানার পুলিশ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।