তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া : গত দু’বারের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনেও নবান্ন দখলে রাখাই লক্ষ্য শাসক শিবিরের। আর সেই লক্ষ্যে ভোট ঘোষণার আগেই আসরে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা।

সেই কর্মসূচীর অঙ্গ হিসেবে মঙ্গলবার বাঁকুড়া-২ ব্লকের বিজেপি পরিচালিত মানকানালী গ্রাম পঞ্চায়েতের আদিবাসী প্রধান বড়চাকা গ্রাম থেকে ‘ঘরে চলো’ কর্মসূচীর সূচণা করলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি ও রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা। এদিন তিনি ঐ গ্রামের ৮০ থেকে ৯০ টি আদিবাসী পরিবারের প্রত্যেকটিতে গিয়ে মানুষের অভাব, অভিযোগের কথা শোনেন। এমনকি বাড়ির উঠোনে মাটির উনুনে রান্না করতে ব্যস্ত মহিলার সঙ্গে বসেও বেশ খানিক্ষণ কথা বলেন তিনি।

গ্রামের মানুষও শাসক দলের জেলা শীর্ষ নেতা, মন্ত্রীকে হাতের কাছে পেয়ে তাদের নিজেদের কথা তুলে ধরেন। গ্রামবাসী সনৎ টুডু, ববিতা টুডুরা বলেন, আদিবাসীদের উন্নয়ন হয়নি সেভাবে। রাস্তাঘাট, সেচ, পানীয় জলের সমস্যার সমাধান হয়নি। ভোট এলেই রাজনৈতিক নেতাদের আমাদের কথা মনে পড়ে, বাকি সময় কারো দেখা নেই। এমনকি দলের মিটিং মিছিলে আমাদের নৃত্য দলের ডাক পড়ে ও ধামসা মাদল দিয়েই শাসক গোষ্ঠী দায় সারছে বলে তাদের দাবি।

তৃণমূল জেলা সভাপতি ও রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা বলেন, ২০ জানুয়ারী থেকে ৪ ফেব্রুয়ারী ‘ঘরে চলো’ কর্মসূচীর সূচনা হল। ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচীর সুযোগ মানুষ ঠিকমতো পাচ্ছেন কিনা তা এই সফরে দেখা হবে।

একই সঙ্গে জনসংযোগের মানুষের অভাব অভিযোগ শুনে দ্রুত তা সমাধানের ব্যবস্থার উপর জোর দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

বিষয়টিকে ‘ভোট বৈতরণী’ পার হওয়ার চেষ্টা বলে দাবি বিজেপির। দলের স্থানীয় নেতা ও মানকানালী গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান অর্ধেন্দু মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের কোনও কাজ করতে দেওয়া হয়নি। আটকে দেওয়া হয়েছে। ন’বছর পর ভোটের দু’মাস আগে গ্রামে এসে ভোট বৈতরণী পার হওয়া যাবে না বলে তিনি দাবি করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।