নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: ‘সুস্থ হয়ে উঠুন’৷ মুখ্যমন্ত্রীর আরোগ্য কামোনায় কেন্দ্রীয় বনও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়৷ এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে টুইটে লেখেন আসানসোল থেকে নির্বাচিত সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল৷ টুইটের সঙ্গেই জুড়ে দেন বৃহস্পতিবার নৈহাটিতে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানের বিরুদ্ধে মমতার অসন্তোষের ভিডিও-টি৷

গতকাল নৈহাটিতে তৃণমূলের ধর্না মঞ্চে যাওয়ার পথে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের সামনে ওঠে ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনি। অসন্তুষ্ট মুখ্যমন্ত্রী গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়েন৷ বলতে শুরু করেন, ‘‘ব্যাটা বিজেপির বাচ্চা। ডাকাত। ক্রিমিনাল। সব কটাকে তাড়িয়ে ছাড়ব। অ্যাই.. যার খাবে তার…’৷

পরে ধর্না মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘গাড়ির সামনে এসে গালিগালাজ করছে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যারেস্ট করতে পারতাম। লোকগুলোকে চিনে রেখেছি। জয় বাংলা লক্ষ বার কোটি বার বলব। জয় হিন্দ বলব। লোকের সঙ্গে দেখা হলেই বলব জয় হিন্দ। রাস্তায় বলবেন, জয় হিন্দ৷’’

আরও পড়ুন: বড় খবর: অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের উৎসব ভাতা দেবে মমতা সরকার

এই প্রথম নয়৷ জয় শ্রী রাম ধ্বনি শুনে এর আগেও মেজাজ হারান মুখ্যমন্ত্রী৷ প্রচারে মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণায় গাড়ি থামিয়ে একই কায়দায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷ জানাতে ভোলেননি, এই ধ্বনিকে গালাগাল বলে মনে করেন তিনি৷ তীব্র কটাক্ষ করেন বিজেপিকে৷ ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করার চক্রান্ত বলে দাবি করেন তিনি৷

প্রসঙ্গত, জয় শ্রীরাম ধ্বনিকে সামনে এনেই এবার প্রচার চালায় গেরুয়া শিবির৷ ভোটের ফালফলেই স্পষ্ট তার ডিভিডেন্ট পেয়েছে তারা৷ বাংলার প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটের একটা বড় অংশই আস্থা রেখেছে পদ্ম শিবিরের স্লোগানে৷ হিন্দু ভোটের বিরাট অংশ আস্থা রেখেছেন মোদীর উপর৷ রাজ্যের ভোট প্রায় আডা়আড়ি বিভিক্ত৷ তাতেই বিপর্যস্ত জোড়াফুল শিবির৷ এর লাফে আসন সংখ্যা ৩৪ থেকে কম দাঁড়িয়েছে ২২-শে৷

সাফল্যে উজ্জীবিত বিজেপি৷ লোকসভার পর এবার বিধানসভা জয়ের লক্ষ্যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তারা৷ ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন অংশে জোড়াফুল ছেড়ে পদ্মফুলে যাওয়ার হিড়িক৷ এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রীর যাত্রা পথেই বারংবার উঠছে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি৷ তাতেই মেজাজ হারাচ্ছেন তিনি৷ তাই মমতাকে বাবুল সুপ্রিয়র টিপস ‘সুস্থ হয়ে উঠুন৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।