নিউজ ডেস্ক : বৃষ্টির বার্তা দিতে পারছে না আবহাওয়া দফতর। অসহ্য গরমে কাহিল হলে পরলেও বাইরে বেরনো থেকে তো আর বিরত থাকা যায় না! কাজের প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যাওয়া বন্ধ রাখা যায় না। অন্যদিকে শিশু থেকে বয়স্করা বাড়িতে থেকেও কষ্ট পাচ্ছেন গরমে। তারমধ্যে গুমোট গরম, প্যাচপ্যাচে ঘা্‌ অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলছে। হজমের সমস্যা হচ্ছে। মাথা ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন অনেকে। আবার এই দাবদাহে সর্দি-কাশি, জ্বর, পেটে ব্যথার মতো অকাল রোগ তো লেগেই আছে। তাই এমন সময় সময় শরীর ভাল রাখতে কিছু বাড়তি যত্ন নেওয়া দরকার।

চলুন জেনে নেওয়া যাক গরমকে এড়িয়ে চলার ১০ উপায় –

১) চড়া রোদ্দুরে না বেরনোই ভাল। সমস্ত বয়সের মানুষেরই সকাল ১১ টার পর সরাসরি রোদ্দুরে যাওয়া ঠিক নয়। দুপুরের রোদ্দুরে না বেরনোর চেষ্টা করবেন। জেনে রাখুন দুপুর দুটো পর্যন্ত তাপমাত্রা সব থেকে বেশি থাকে। এই সময় বাইরে গেলে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই চেষ্টা করবেন দুপুর বারোটা থেকে দুপুর তিনটের মধ্যে অফিসে বা কোনও ঘরে থাকার।

২) অবশ্যই ছাতা ব্যবহার করবেন।

৩) পর্যাপ্ত জল বা নুন-চিনির শরবত পান করে বাইরে গেলে ভাল হয়। জল পান করতে হবে গড়ে দিনে ৩ লিটার।

৪) গরম কালে ৩ থেকে ৪ বার স্নান করলে গরমের কষ্ট অনেক কম হয়।

৫) গাড়িতেও শীততাপ নিয়ন্ত্রিত হয়। সেগুলি ব্যবহার করা উচিত। তবে রোদ্দুর থেকে হঠাৎ ঠান্ডায় না যাওয়াই ভাল। এই সময় কিছু জীবাণুরা সক্রিয় হয়ে ওঠে। পেটের সমস্যা, টাইফয়েড, ভাইরাল ফিভার, ঠান্ডা লেগে জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা হতে পারে। বৃষ্টিতে ভিজে গিয়ে যেমন ঠান্ডা লাগে, তেমনই ঘাম বসেও ঠাণ্ডা লাগতে পারে। তাই এই ব্যাপারটাও খেয়াল রাখতে হবে।গরমে শরীর অস্থির লাগলে চোখে মুখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিতে হবে। সম্ভব হলে স্নান করে নিতে পারলে ভাল হয়।

৬) বাড়িতে পাতা দইয়ের ঘোল, ডাবের জল, যে কোনও টাটকা ফলের রস খেলে চট করে ক্লান্ত হবেন না। শশা, জামরুল, তরমুজ, আঙুর সহ যে কোনও টাটকা ফল খেলে ভাল হয়।

৭) রোজকার ডায়েটে রাখুন টক দই, যা হজমশক্তি বাড়বে।

৮) বেশি মশলাদার খাবার ও মাংস খেলে হজমের সময় শরীরে বাড়তি তাপ উৎপন্ন হয়। তাই হালকা খাবার খেতে হবে।

৯) হালকা রঙের সুতির ঢিলে পোশাক পরতে হবে। আর সকলেরই উচিত সানস্ক্রিন মেখে বাইরে বেরনো।

১০) গরমে ভয়ানক ঘাম হলে, চোখে অন্ধকার দেখলে অথবা শ্বাসের কষ্ট হলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।