২ দিন আগেই গেলো ভ্যালেন্টাইন্স ডে। আর আজ সরস্বতী পুজো। অর্থাৎ এ যেন প্রেমের ডাবল ডোজ। কিন্তু যারা এখনো বেরোতে পারেননি কাজের চাপে তারা একবার বিশেষ ডেটে যাওয়ার আগে লাস্ট মিনিট সাজেশনের মতো পড়তে পারেন এটি। শুধু মেকআপ আর পোশাকই আপনার সাজকে সম্পূর্ণ করে না। তার জন্যে যে সারাদিনের একটা প্রস্তুতি লাগে সেটা কি জানেন? আপনাকে সারাদিন ধরে সেই বিশেষ মুহূর্তের জন্যে একটা প্রস্তুতি নিতে হয়। কিন্তু কী থাকে সেই বিশেষ প্রস্তুতিতে?

১. সবার আগে সেই আমেজে নিজেকে সাজান মানসিকভাবে। আপনি যে দিনের জন্যে এতদিন অপেক্ষা করলেন বা সঙ্গীর সঙ্গে বেরোনোর প্ল্যান করলেন সেটা যেন মাথায় থাকে। সকাল থেকে উঠে হাতের কাজগুলি তাড়াতাড়ি শেষ করবেন। সময়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। দরকারে ক্যাব বুক করে নেবেন সময়ের আগেই। তাহলে টাইমে পৌঁছানোর একটা তাড়া থাকবে। দরকারে সঙ্গীর জন্যে একটা ফুলের তোড়া বানিয়ে ফেলুন নিজেই বা একটা হাতে বানানো কার্ডও ডিকিতে পারেন তাকে।

২. দিনের শুরু করুন এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম জল দিয়ে। তাতে মেশান লেবুর রস ও মধু। মানসিক শান্তি যেমন পাবেন তেমনই শরীর থেকে নোংরা পদার্থ বের করে ত্বক চকচকে করবে। হালকা শরীরচরসিবগা করে নেবেন। এতে শরীর চনমনে থাকবে।

৩. হাতের কাজ সারার ফাঁকে ভালো ভালো গান চালিয়ে নিন। হালকা মৃদু গানের আওয়াজ মনকে শান্ত করবে। একটু রোম্যান্টিক গান শোনারই চেষ্টা করবেন।

৪. স্নানটি বিশেষ যত্ন নিয়ে করবেন। জলে মিশিয়ে নিন কোনো সুগন্ধি তেল। একটা মৃদু সুবাস আপনার সারা শরীরে খেলে বেড়াবে। সঙ্গীও আকৃষ্ট হবেন। ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ডিও লাগিয়ে নেবেন শরীরের বিশেষ অংশুগুলিতে। আজকাল অনেক এসেনশিয়াল অয়েল পাওয়া যায় কিন্তু কম সময়ে নিজের পছন্দটি বেছে নিতে এই লিংকে ক্লিক করুন।

 

৫.পোশাক নির্বাচন করুন সঙ্গীর পছন্দকে মাথায় রেখে। সে আপনাকে কোন পোশাকে দেখতে ভালোবাসে সেটি ভাবুন। শাড়ি বা ওয়েস্টার্ন যাই পড়ুন তাতে নিজের ক্লাস যেন বজায় থাকে। সাজ কমপ্লিট হলে কিছু বিশেষ সামগ্রী যেমন চিরুনি, লিপ্সটিক, পারফিউম, চিউইং মিন্ট, রুমাল রাখুন ব্যাগে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।