বার্লিন: করোনা পরিস্থিতি ক্রমশ হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। লকডাউনে শিথিলতা আনার পরেই এই অবস্থা। তাই নতুন করে লকডাউনের রাস্তায় হাঁটার পরিকল্পনা করল জার্মানি। রবিবার এক সরকারি সূত্র উদ্ধৃত করে এখবর জানিয়েছে সংবাদসংস্থা রয়টার্স ও ডিপিএ।

সূত্রের খবর ১৬ই ডিসেম্বর থেকে ১০ই জানুয়ারি লকডাউন জারি করা হয়েছে জার্মানির বেশিরভাগ অংশে। ক্রিসমাসের আগে এই ধরণের সিদ্ধান্তে, বাজারের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। ২৪শে ডিসেম্বর থেকে ২৬সে ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্রিসমাসের ছুটি ঘোষিত হয়েছে। উৎসব পালন না করার আবেদন জানিয়েছে সরকার।

তবে ৫জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সঙ্গে ১৪ বছরের শিশুরা জমায়েত করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। যদি দুটি বাড়ি একসঙ্গে কোনও জমায়েত করতে পারবে না জানিয়েছে প্রশাসন। রবিবারই লকডাউনের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মর্কেল লকডাউন জারি হওয়ার কথা জানান।

এদিকে, কানাডার প্রশাসন জানিয়েছে জরুরি অবস্থার প্রেক্ষিতে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া যেতে পারে। এই ঘোষণা করে কানাডা পিফিজার ও বায়োনটেকের ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দিয়েছে বলে খবর। এক অন্তর্বতীকালীন সিদ্ধান্তের জেরে ভ্যাকসিনকে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।

জানানো হয়েছে জরুরি অবস্থার প্রেক্ষিতেই এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার কথা জানানো হয়েছে। পিফিজার ও বায়োনটেকের ভ্যাকসিন বেশ কার্যকরী ও নিরাপদ একথা প্রমাণিত হয়েছে। এই বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে কানাডার স্বাস্থ্য মন্ত্রক। হেলথ কানাডা এক রিপোর্ট প্রকাশ করে জানিয়েছে, এই ভ্যাকসিন দেশকে রক্ষা করবে।

১৬ বছরের ওপরের বয়েসীদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কানাডার প্রশাসনিক আধিকারিকরা জানিয়েছেন দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অনুমতি পাওয়ার পরেই ভ্যাকসিনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডিসেম্বর মাস শেষ হওয়ার আগেই এই ভ্যাকসিনের প্রয়োগ শুরু করেদিতে চাইছে কানাডা।

দোসরা ডিসেম্বর পিফিজার ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেয় ব্রিটেন। পিফিজার ভ্যাকসিন ল্যাবে ৯৫ শতাংশ কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে। এই ভ্যাকসিন মজুত করার জন্য অতিরিক্ত ঠান্ডা হিমঘরের ব্যবস্থা করতে হচ্ছে কানাডাকে। প্রাথমিকভাবে ২০ মিলিয়ন ডোজের অর্ডার দিয়েছে এই দেশ। দেশের ১০ মিলিয়ন মানুষ যাতে সবাই এই ভ্যাকসিন পান, তা নিশ্চিত করতে চাইছে কানাডা সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।