আগ্রা: গোরক্ষা, গোহত্যা- শব্দগুলো গত ৩-৪ বছর ধরে বারবার শিরোনামে। এমনকি গোহত্যার অভিযোগে গণপিটুনিতে মেরে ফেলার ঘটনাও ঘটেছে। গোরুর নিরাপত্তা, আশ্রয়ের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। উত্তরপ্রদেশ তথা গোটা দেশের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছে সেই গোপালন। তবে এসবের অনেক আগে থেকেই সবার চোখের আড়ালে গোরুদের সেবা-যত্ন করতেন এক জার্মান মহিলা। তাঁকে এবার বেছে নেওয়া হয়েছে পদ্ম পুরষ্কারের জন্য।

প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে ঘোষণা হওয়া পদ্মশ্রী পুরস্কারের তালিকায় নাম রয়েছে এক জার্মান মহিলার। উত্তরপ্রদেশের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে থাকেন সেই মহিলা। স্থানীয়রা তাঁকে সুদেবী মাতাজি বলেই চিনতেন। তাঁর আসল নাম ফ্রেডেরিকে ইরিনা ব্রুনিং। অন্তত ১৮০০ গবাদিপশুর লালন-পালন করেন তিনি। গত ২৫ বছর ধরে এই কাজ করে আসছেন তিনি।

একসময় মথুরায় এসেছিলেন তিনি। এখানে এসে গোরুদের দেখে ভালোবেসে ফেলেন তিনি। ভারতেই থেএক যান ওই ভিনদেশি মহিলা। বর্তমানে ৬১ বছর বয়স তাঁর। তাঁর অধীনে কাজ করনে ৬০ জন। তাঁদের বেতন দিতে মাসে ৩৫ লক্ষ টাকা খরচ হয়।

সুরভী গৌশালা নিকেতন নামে একটি জায়গা তৈরি করেছেন তিনি। সেখানেই গোরুদের উদ্ধার করে নিয়ে এসে আশ্রয় দেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ