বার্লিন: করোনা মোকাবিলায় একেবারে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অথচ তাঁরাই সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত সামগ্রী পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠছে। পৃথিবীর একাধিক দেশে এই অভিযোগ ক্রমেই বাড়ছে। এবার করোনা চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পিপিই এবং মাস্ক পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ তুলে অভিনব প্রতিবাদে সামিল জার্মানির কয়েকজন চিকিৎসক। কর্মক্ষেত্রেই নগ্ন হয়ে প্রতিবাদে সরব চিকিৎসকরা।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের শেষে জার্মানিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ে। সেই সময় থেকেই করোনার চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পিপিই ও মাস্কের আবেদন জানাচ্ছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অভিযোগ, চিকিৎসকদের আবেদনে তেমনভাবে আমল দেয়নি প্রশাসন।

প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত কম সংখ্যায় পিপিই ও মাস্ক দেওয়া হয় চিকিৎসকদের। ক্রমেই সুরক্ষা না নিয়ে কাজ করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে জার্মানিতে।

সম্প্রতি জার্মানিতে বেশ কিছু চিকিৎসক প্রশাসনকে দুষে কর্মক্ষেত্রেই অভিনব প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। কর্মক্ষেত্রেই চিকিৎসকরা নগ্ন হয়ে ছবি তুলেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রতিবাদকারী এক চিকিৎসক ‘দ্য গার্ডিয়ান’-কে জানিয়েছেন, রোগীদের প্রতি তাঁদের কর্তব্য রয়েছে। রোগীদের সেবায় এতটুকুও খামতি রাখছেন না তাঁরা। কিন্তু নিজেরাই সুরক্ষা না পেলে কীভাবে সুস্থ থেকে রোগীদের সেবা করে যাবেন সেটাই তাঁরা বুঝতে পারছেন না।

জার্মানির বহু স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরই দাবি, চাহিদা অনুযায়ী পিপিই, মাস্ক, অ্যাপ্রন, গ্লাভস, জীবাণুনাশক দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের। যদিও জার্মান প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধকালীন তৎপরতায় করোনা মোকাবিলার কাজ চলছে।

হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসা ও সুরক্ষাসমাগ্রী পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই জার্মানিতে ১ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১২ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে জার্মানিতে ৬ হাজার ৩১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প