বার্লিন ও মস্কো: অবশেষে জার্মান সরকার জানিয়েছে চিকিৎসারত রুশ বিরোধী নেতা আলেক্সি নাভালনির দেহে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল। তিনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন। যদিও এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থা। কেন নাভালনির মতো সরকার বিরোধী নেতার দেহে বিষপ্রয়োগ করা হয়েছিল তার জবাব দিক রাশিয়া সরকার।

জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্বেলের সঙ্গে একযোগে সরব হয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধী নেতা ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জো বাইডেন। আন্তর্জাতিক মহল সরগরম হলেও ক্রেমলিনের নিরেট দেয়ালে সেই চিৎকার ধাক্কা খেয়েছে। নাভালনির বিষয়ে নীরব রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

রাশিয়ায় প্রবল পুতিন বিরোধী নেতা হলেন নাভালনি। গত ২০ আগস্ট সাইবেরিয়ার টোমস্ক থেকে মস্কো ফেরার সময়ে বিমানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে সাইবেরিয়ার ওমস্কে অবতরণ করিয়ে নাভালনিকে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয় বার্লিনের চ্যারিতে হাসপাতালে। এখনও কোমায় রয়েছেন তিনি।

প্রাথমিকভাবে নাভালনির দল ও সমর্থকদের দাবি ছিল চায়ের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়। চা পান করেই অসুস্থ হন নাভালনি। যদিও রুশ সরকার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেন। এখবর জানাচ্ছে রুশ সংবাদ সংস্থা তাস।

পরে নাভালনিকে চিকিৎসার জন্য জার্মানি তে আনা হয়। বুধবার জার্মানির সরকার জানায়, নাভালনির শরীরে নোভিচক গ্রুপের রাসায়নিক নার্ভ এজেন্ট থাকার সন্দেহাতীত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার জার্মান চ্যান্সেলর মার্কেল বলেন, নাভালনিকে খুনের চেষ্টা হয়েছে, তার স্পষ্ট প্রমাণ মিলেছে। এবার রাশিয়াকেই এর জবাব দিতে হবে। বিশ্বকে জানাতে হবে, কেন বিরোধী বিরোধী রাজনীতির মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। তিনি বলেছেন, নিষ্ঠুর এই ঘটনার পর রাশিয়ার সরকারকেই ব্যাখ্যা দিতে হবে যে নাভালনির ঠিক কী হয়েছিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার উদ্বেগ জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই ঘটনা নিন্দনীয়। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাইডেন বলেন নির্লজ্জ কর্মকাণ্ড।

তাস জানাচ্ছে, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকোভের কাছে নাভালনির দেহে বিষ প্রয়োগের ওই অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন,নাভালনির শরীরে যতক্ষণ পর্যন্ত বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া না যাচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়ায় তদন্ত শুরু হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।