হাওড়া : গ্রামীণ হাওড়ার শ্যামপুরের দেওয়ানতলা ও উলুবেড়িয়ার বোয়ালিয়ার মধ্যে ব্রিজ নির্মাণের দাবিতে পথে নামলেন কয়েক’শো মানুষ।হাওড়া জেলার শ্যামপুর-২ ব্লকের দেওয়ানতলা ও উলুবেড়িয়ার বোয়ালিয়ার মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে দামোদর।শ্যামপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ প্রতিদিন দেওয়ানতলা থেকে নদী পেরিয়ে বোয়ালিয়া হয়ে নিকটবর্তী স্টেশন বীরশিবপুর কেউবা আবার উলুবেড়িয়া যান। কিন্তু,দেওয়ানতলা থেকে বোয়ালিয়ায় জলপথে একমাত্র ভরসা ইঞ্জিনচালিত নৌকা।

প্রতিদিন হাজার পাঁচেক মানুষ, অসংখ্য সাইকেল ও বাইক নৌকাতেই নদী পেরোয়।রাতে নদী পেরোনোর যেমন অসুবিধা তেমনই এই জলপথে বেশ কয়েকবার দুর্ঘটনাও ঘটেছে। তাই দীর্ঘদিন ধরে দেওয়ানতলা ও বোয়ালিয়ার মধ্যে ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন এলাকার মানুষ। কিন্তু বছর ঘুরে গেলেও সেই কাজ না হওয়ায় এবার ব্রিজের দাবিতে পথে নামলেন এলাকার মানুষ।অবিলম্বে পাকা ব্রিজ নির্মাণের পোস্টার হাতে রবিবার দেওয়ানতলায় মিছিল ও পথসভা করেন স্থানীয় মানুষ।কয়েক’শো মানুষ এই মিছিলে অংশ নেন।

তাদের দাবি, দেওয়ানতলা থেকে মহকুমা শহর উলুবেড়িয়া কিমবা নিকটবর্তী স্টেশন বীরশিবপুর যেতে হলে ভরসা এই রুটই। তানাহলে অতিরিক্ত প্রায় ১৫ কিমি ঘুরে যেতে হয়।দিনে ফেরি চলাচল করলেও রাতে রোগীকে উলুবেড়িয়ায় নিয়ে যেতে খুব সমস্যায় পড়তে হয়।সমস্যায় পড়েন বহু কর্মজীবী মানুষ ও পড়ুয়ারাও।তার উপর করোনা পরিস্থিতিতে ফেরি পারাপারের ভাড়াও বেশ খানিকটা বেড়েছে।এই সমস্ত কারণেই ব্রিজের দাবিতে পথে নেমেছেন নিত্যযাত্রীরা।প্রশাসন অবিলম্বে ব্রিজ নির্মাণের পদক্ষেপ শুরু না করলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এলাকার মানুষ।

একই কারনে বাস চালানো বন্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগণার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে হটুগঞ্জ-রায়দিঘি রোডের প্রায় ৩০ কিলোমিটার রাস্তা। সম্প্রতি উস্তির একতারার কাছে ওই রোডের একমাত্র সংযোগকারী সেতু দর্বল হয়ে পড়ায় ভারী যান চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে প্রশাসন। আপাতত ওই সেতুতে মেরামতের কাজ চলায় যাত্রিবাহী বাস ও ট্রাক-সহ সমস্ত ভারী যান কুলপি হয়ে লক্ষ্মীকান্তপুরের উপর দিয়ে যাতায়াত করছে। তাতে অতিরিক্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছতে ভোগান্তির মুখে পড়েছেন রায়দিঘি, মথুরাপুর ও মন্দিরবাজারের বাসিন্দারা। ঘুরপথে যাওয়ার ফলে সময় অনেক বেশি লাগছে, আবার বাসের ভাড়াও বেশি দিতে হচ্ছে বলে যাত্রীদের অভিযোগ। করোনা পরিস্থিতিতে যাত্রীর সংখ্যাও কম থাকায় লোকসানের বহর বাড়ছিল। তার উপর বেহাল রাস্তার জেরে বাসের যন্ত্রাংশ বিকল হয়ে পড়ছে। প্রায়ই দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে গাড়ি। প্রশাসনের কাছে একাধিকবার রাস্তা সারাইয়ের দাবি নিয়ে দরবার করেছেন বাস মালিকরাও। কিন্তু, রাস্তা মেরামতি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে বাস পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার কথা জানায় মালিকরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।