নয়াদিল্লি: দেশের আর্থিক বৃদ্ধির হার চলতি অর্থবর্ষে শূণ্য অথবা তার তলায় নেমে যেতে পারে।কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এমনটাই জানিয়েছেন। তবে দেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো ইঙ্গিত মিলছে বলে তিনি মনে করছেন। তার বক্তব্য, গত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত দেশের অর্থনীতিতে একটা মন্দা এসেছিন। যদিও উৎসবের সময় চাহিদা বেড়েছে।

ইন্ডিয়া এনার্জি ফোরামে বক্তব্য রাখছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, সরকার এখন পরিকাঠামো ও প্রযুক্তি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে এমনসব ক্ষেত্রগুলি দিকে নজর দিচ্ছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান থেকে ইঙ্গিত মিলেছে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন।

করোনা সংক্রমণ আটকাতে লকডাউনের পথে যেতে হয়েছিল। তার ফলে একেবারে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল অর্থনৈতিক কার্যকলাপ। যার জন্য চলতি অর্থবর্ষে প্রথম ত্রৈমাসিকে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি চরমভাবে ধাক্কা খায়। এরপর অবশ্য আনলক শুরু হলে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে অর্থনীতি বলে দাবি করেন সীতারামন।

ঘুরে দাঁড়ানোর কথা বলতে গিয়ে সীতারামন ব্যাখ্যা করেছেন, কোন কোন ক্ষেত্রে আশার আলো দেখা গিয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, কৃষি নির্ভর ক্ষেত্র এবং গ্রামীণ অর্থনীতি‌ কিছুটা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। পাশাপাশি কৃষি যন্ত্রপাতি ট্রাক্টর সহ অন্যান্য গাড়ি চাহিদা বাড়ছে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতের থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। তাছাড়া
রিজার্ভ ব্যাংক জানিয়েছে চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির বদলে ৯.৫ শতাংশ সংকোচন হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসে সংকোচন হবে ১০.৩ শতাংশ। এবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী কথায় তারই যেন প্রতিধ্বনি শোনা গেল।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।