নয়াদিল্লি: আপাতত জিডিপি বৃদ্ধির হার শূন্যের তলায় থাকলেও চলতি আর্থিক বছরের শেষ ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) তা শূণ্যের উপরে উঠে যাবে। শুধু তাই নয় এই হার গত আর্থিক বছরের শেষ ত্রৈমাসিকের চেয়ে বেশি হতে পারে। এমনটাই মনে করছেন নীতি আয়োগ। কারণ ইতিমধ্যেই মে মাস থেকে শুরু হওয়া গরিব কল্যাণ যোজনা ও আত্মনির্ভর ভারত প্যাকেজের সুফল আসতে শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমারের বক্তব্য,কেন্দ্রীয় সরকার একের পর এক প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। ক্ষুদ্র ছোট মাঝারি শিল্পের জন্য প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে। আবার পরিকাঠামো শিল্পের জন্য প্যাকেজ ঘোষণা হয়েছে।

অন্যদিকে, ঋণ পরিশোধ করার ক্ষেত্রে ছয় মাসের মোরাটরিয়ামের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এইসব পদক্ষেপগুলির ফলে অর্থনীতির চাকা ঘুরতে শুরু করেছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, আর্থিক লেনদেন বেড়েছে যার জন্য অক্টোবর এবং নভেম্বর মাসে জিএসটি আদায় এক লক্ষ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এইসব তথ্য আশার আলো দেখাচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

জিডিপির শূন্যের তলায় থাকলেও অবস্থার উন্নতি হয়েছে। রাজীব কুমার জানিয়েছেন, যেখানে এক সময় বৃদ্ধির বদলে ২৪ শতাংশ সংকোচন হয়েছিল পরবর্তীকালে সেটা কমে ৭ শতাংশ সংকোচন হতে দেখা গিয়েছে।

একই রকমভাবে তিনি আশা করছেন অবস্থার আরও কিছুটা উন্নতি হলে সংকোচনের বদলে বৃদ্ধি‌ দেখা যাবে জিডিপির ক্ষেত্রে। সেই আশা নিয়ে নীতি আয়োগ মনে করছে, এবার জিডিপি বৃদ্ধির হার গতবছরের শেষ ত্রৈমাসিকে চেয়ে বেশি হবে। সেক্ষেত্রে নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানের আশানুসারে আগামী জানুয়ারি থেকে মার্চ জিডিপি বৃদ্ধির হার ৪ থেকে ৫ হতে পারে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।