কলকাতা: দুই প্রতিবেশী দেশের পাঁচদিনের ক্রিকেট-যুদ্ধ। তাও আবার ঐতিহাসিক ইডেনে দিন-রাতের ম্যাচে। আগামী ২২ নভেম্বর মহানগর সাক্ষী থাকতে চলেছে এক মাহেন্দ্রক্ষণের। ভারত-বাংলাদেশের দু’দেশের প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেট তারকারা তো রয়েছেনই, এছাড়াও ক্রিকেটের স্বর্গোদ্যানে ভারতের মাটিতে প্রথম পিঙ্ক বল টেস্টের স্বাদ নিতে গ্যালারিতে উপস্থিত থাকবেন প্রতিবেশী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়, সর্বভারতীয় সভাপতি তথা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মত হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।

পিঙ্ক বলে খেলার কোনরকম অভিজ্ঞতা ছাড়াই শুক্রবার বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা যখন পিঙ্ক বলে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামবেন, তখন ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যেও হাতে গোনা কয়েকজনেরই রয়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটে পিঙ্ক বলে খেলার অভিজ্ঞতা। যদিও সেই তালিকায় নাম নেই অধিনায়ক বিরাট কোহলি, ডেপুটি অজিঙ্কা রাহানে কিংবা স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। কিন্তু এই অনভিজ্ঞতা ভারতীয় দলে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না। এমনটাই মনে করেন কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকর।

আরও পড়ুন: পিঙ্ক বলের হাত ধরে টেস্টে দর্শক সমাগম নিয়ে সন্দিহান টার্বুনেটর

বিশেষজ্ঞদের কথায়, লাল বলের তুলনায় পিঙ্ক বল অনেকটাই বেশি সুইং করে, যা ব্যাটসম্যানদের পক্ষে যন্ত্রণাদায়ক। কিন্তু ভারতীয় দল পিঙ্ক বলের চ্যালেঞ্জ সাবলীলভাবেই গ্রহণ করবে এবং ইতিবাচক ফলাফলই উপহার দেবে। এপ্রসঙ্গে বলতে গিয়ে লিটল মাস্টার বলেন, ‘এই ভারতীয় দল দুর্ধর্ষ। এরা আইসল্যান্ডের বরফ কিংবা সাহারা মরুভূমিতেও সফল হওয়ার ক্ষমতা রাখে না। সুতরাং, ভারতীয় দলের ক্রিকেটাররা এর আগে পিঙ্ক বলে টেস্ট খেলেছে কীনা সেটা কোনও বড় বিষয়ই নয়।’

আরও পড়ুন: গোলাপি বলে আম্পায়ারদেরও নেট প্র্যাকটিসের পরামর্শ টাফেলের

তবে দিন-রাতের টেস্টের ক্ষেত্রে পিঙ্ক বল এবং লাল বলের পরিসংখ্যান ভবিষ্যতে আলাদা করার একটি প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটে ৩৪টি শতরানের মালিক। পাশাপাশি আগামী প্রজন্ম যাতে ক্রিকেটের বিভিন্ন ফর্ম্যাট সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে পারে, সেকারণে সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটের ক্রিকেটেও লা বল ও সাদা বলের পরিসংখ্যান আলাদা করার ক্ষেত্রে সওয়াল করেছেন গাভাসকর। উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম টেস্টে ইন্দোরে ইনিংস ১৩০ রানে জিতে ইডেনে ঐতিহাসিক দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের মুখোমুখি টিম কোহলি।