নয়াদিল্লি: পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির হয়ে প্রচারে আসতে পারেন গৌতম গম্ভীর। রবিবার বিজেপি সূত্রে এই খবর প্রকাশ পেয়েছে। গম্ভীর নিজে বলেছেন, এই রাজ্যকে তাঁর নিজের বাড়ির মতো মনে হয়।

প্রাক্তন এই ব্যাটসম্যান খুব সম্ভবত ২২ মার্চ থেকে পশ্চিমবঙ্গে ভোটের প্রচার শুরু করতে পারেন। বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আট দফায় বাংলায় প্রচার চালাতে পারেন তিনি। সূত্র মারফৎ এমনটাই জানা গিয়েছে। পাশাপাশি অসমের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারেও সারবেন গম্ভীর। এটি হবে দিল্লির বাইরে গম্ভীরের প্রথম সম্পূর্ণ নির্বাচনী প্রচার। যদিও হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের সময় গত বছর হকি খেলোয়াড় সন্দীপ সিংয়ের হয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন তিনি। এছাড়া ২০২০ সালের ডিসেম্বরে জম্মু ও কাশ্মীরে ডিস্ট্রিক্ট ডেভলপমেন্ট কাউন্সিল (DDC)-এর সময় তিনি যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। যদিও সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি।

গম্ভীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন বিজেপি বহিরাগতদের দল। এটি শুনে তিনি দুঃখ পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, “এক মুহূর্তের জন্যও আমার কখনও মনে হয়নি আমি কলকাতায় বা বাংলার অন্য কোথাও জন্মাইনি বা বড় হইনি। প্রেসিডেন্সি কলেজ বা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাইনি। পার্ক স্ট্রিট থেকে এগ রোল খেয়ে বেড়ে উঠিনি। আমি যতবারই ওই রাজ্যে গিয়েছি সবয়ময় আমার নিজেকে বড় এক সুখী পরিবারের সদস্য মনে হয়েছে। এতটাই ভালোবাসা ও আশীর্বাদ পেয়েছি আমি।” প্রসঙ্গত গম্ভীরের ক্যাপ্টেন্সিতেই কলকাতা নাইট রাইডার্স ২ বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। রবিবার কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নরেন্দ্র মোদি এদিনের ব্রিগেড সমাবেশ থেকে পুরোপুরি ভোটার কথা মাথায় রেখেই তাঁর বক্তব্য রাখেন। তিনি রাজ্যবাসীর জন্য একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন। তবে তিনি তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করে দেন রাজ্যে ভোটে জিতলেই এই উন্নয়ন হবে। এই প্রতিশ্রুতি দিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদি বলেন, “বিজেপির সরকার তৈরির পর ঝুপড়িবাসীদের পাকা বাড়ি দেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় । অন্যান্য শহরেরও আত্মনির্ভর ভারত গঠনের সম্ভাবনা আছে। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে যুব সমাজ থেকে বয়স্ক সবার জন্য প্রকল্প হবে। আসল পরিবর্তনের জন্য পঞ্চায়েত স্তরেও উন্নয়ন প্রয়োজন।বাংলায় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা শেষ করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা পুনরায় গড়ে তোলা হবে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।