উত্তরবঙ্গ : ভোটের প্রচারে বেরিয়ে এবার মানুষকে হুমকির অভিযোগ তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী ও রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। প্রচারে বেরিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব । নিজের বিধানসভা এলাকার এক আশ্রমে গিয়ে সেখানকার মহারাজকে ডেকে রীতিমতো ভিটা ছাড়া করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল রাজ্যের মন্ত্রী গৌতম দেবের বিরুদ্ধে। প্রচারে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার সময়ে আচমকা ওই আশ্রমের মহারাজ সুধাকৃষ্ণ দাস গোস্বামী মহারাজকে আচমকা ডেকে হুমকি দিয়েছেন গৌতম দেব। এই হুমকির ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ায় নির্বাচনের মুখে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে পৌঁছেছে । আগামী ১৭ এপ্রিল এই কেন্দ্রে নির্বাচন ।

যেমন জানা যাচ্ছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব গিয়েছিলেন ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার ঠাকুরনগর রেলগেট অঞ্চলে । সেখানেই এই ঘটনা গৌতমবাবু ঘটান । ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মহারাজকে ডেকে প্রার্থী বলছেন, “এখানে বিজেপি-বিজেপি করবেন না। এই জায়গা সরকারি, এখানে থাকুন। সরকার থেকে যা সাহায্য লাগবে, আমরা করব। আর যদি আমাদের বিরোধিতা করেন, তাহলে এই জায়গা থেকে উৎখাত করব। আমি গৌতম দেব। যা বলি তাই করি। আমার কাছে সব রিপোর্ট আছে। ওসব সন্ন্যাসী-টন্ন্যাসী আমাকে দেখাবেন না। আমি নিজেও সন্ন্যাসী। বিজেপি করবেন না। সব তৃণমূলকে ভোট দিতে হবে। কোনও কথা শুনব না।” গৌতম দেবের এই ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন উঠছে, একজন প্রার্থী, যিনি রাজ্যের মন্ত্রীও, তিনি এভাবে কাউকে ভোটের জন্য হুমকি দিতে পারেন কী না!

তবে এই হুমকির ভিডিওটি ভাইরাল হতেই মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, “আমি কখনওই কাউকে হুমকি দিইনি। একটি বড় সরকারি জায়গা দখল করে একজন একটি আশ্রম চালাচ্ছেন। তবে, সেটি আশ্রম নয়। ওটি বিজেপি, আরএসএসের ডেরা। আমি তাই বলেছি সরকারি জায়গায় ওসব চলবে না। আমি তাঁর কাছে ভোট চেয়েছি। করোও কাছে ভোট চাওয়া আমার অধিকার। আমি বিধিভঙ্গের মতো কোনও কথা বলিনি।” এই বিষয়ে সুধাকৃষ্ণবাবু বলেন, “আচমকা মন্ত্রী আমাকে ডেকে বললেন তৃণমূলকে ভোট না দিলে এই আশ্রম থেকে আমাকে উৎখাত করে দেওয়া হবে। আমি একটি আশ্রম চালাই। অনেক রাজনৈতিক দলের সদস্যরা এখানে আসেন, নানা আলাপ-আলোচনা করেন। আমি তাঁদের মানা করি। কিন্তু কোনও দল করি না। মন্ত্রীকে প্রথমবার এখানে আমি দেখলাম। আমার ভোটও এখানে নেই। তাও এইভাবেই আমাকে ধমক দিয়েছেন মন্ত্রী?”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।