মেলবোর্ন: ভেনাস উইলিয়ামসকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে গ্র্যান্ড স্ল্যাম অভিষেকে টেনিস অনুরাগীদের চমকে দিয়েছিল কোকো গাফ। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের প্রথম রাউন্ডে টিন-এজ মার্কিন টেনিস সেনসেশনের কাছে ফের হার বিশ্বের প্রাক্তন এক নম্বরের। ২০১৯ অল-ইংল্যান্ড ক্লাবের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে মেলবোর্ন পার্কেও বাজিমাত করলেন ১৫ বছরের কোকো গাফ।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ড্র ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই টেনিস অনুরাগীদের নজরে ছিল ১৫ বনাম ৩৯’র এই দ্বৈরথ। ফের একবার স্ট্রেট সেটে ভেনাসকে হারিয়ে কোকো জানান দিলেন উইম্বলডনের ঘাসের কোর্টের ফলাফল মোটেই ফ্লুক ছিল না। দেশোয়ালি ভেনাসের বিরুদ্ধে কনিষ্ঠ গ্র্যান্ড স্ল্যাম প্রতিযোগিনীর পক্ষে ম্যাচের ফল ৭-৬(৫), ৬-৩। উইম্বলডনে ভেনাসকে হারানোর পর গাফ বলেছিল, ‘আমই ঘোরের মধ্যে রয়েছি। আমার মনে হয় সকলেই এই ফলাফলে হতবাক।’ আর সোমবার আরও একবার ভেনাসের গ্র্যান্ড স্ল্যাম বিদায় নিশ্চিত করে গাফ জানায়, ‘জয়টা খুব সহজ ছিল না। ভেনাস দারুণ খেলেছে। আমই নার্ভাস ছিলাম।’

গ্র্যান্ড স্ল্যাম অভিষেকের পর একের পর এক পারফরম্যান্সে আগামীর তারকা ওঠার বার্তা দিয়েছে কোকো গাফ। ফলস্বরূপ র‍্যাংকিংয়েও অচিরেই প্রথম একশোয় ঢুকে পড়েছে টিন-এজ টেনিস সেনসেশন। অন্যদিকে হিপ ইনজুরির কারণে প্রাথমিকভাবে মেলবোর্ন পার্কে কোর্টে নামা নিয়ে সংশয়ে ছিলেন সাতটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালকিন ভেনাস। তাই সোমবারের ফলাফলে খুব একটা অবাক নয় বিশেষজ্ঞ মহল।

প্রথম সেটে যদিও এদিন তুল্যমূল্য লড়াই চলে দুই মার্কিন প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে। প্রথম থেকেই ভেনাসের বিরুদ্ধে এগিয়েছিল গাফ। কিন্তু কোর্টে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাকে সঞ্চয় করে প্রথম সেটে টাইব্রেকারে নিয়ে যেতে সক্ষম হন র‍্যাংকিংয়ে ৫৫ নম্বর ভেনাস। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি টাই ভাঙার খেলায় নার্ভ ধরে রেখে বাজিমাত করে যায় গাফ। প্রথম সেটের তুলনায় দ্বিতীয় সেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল অনেক কম। ৩-০ এগিয়ে যাওয়া কোকোর বিরুদ্ধে দ্বিতীয় সেটে সমতায় ফেরা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে রেকর্ড ৮৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলতে নামা ভেনাসের পক্ষে। শেষ অবধি ৬-৩ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত হয় গাফের।

অন্যান্যদের মধ্যে প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে সহজেই জয় পেয়েছেন রজার ফেডেরার, সেরেনা উইলিয়ামস, নাওমি ওসাকা, মেয়েদের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ক্যারোলিন ওজনিয়াকি। উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের পরই পেশাদার টেনিসকে বিদায় জানাচ্ছেন ড্যানিশ তারকা ওজনিয়াকি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।