মালদহ: চুলোয় যাক করোনা। মহাগুরু কে দেখতে বিরাট ভিড় হয়ে গেল। এতেই বিপাকে বিজেপি। কোভিড পরিস্থিতিতে প্রচারের নতুন নিয়ম না মেনে ভিড়ের জমায়েত করার অভিযোগে কমিশনের দ্বারস্থ টিএমসি। বিতর্কে পড়তে চলেছেন মিঠুন চক্রবর্তী।

জেলার বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী স্বাধীন সরকারের হয়ে ভোট প্রচারে আসেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের সমস্ত বিধি মেনে সভার আয়োজন করা হয়। আর করোনা বিধি ভেঙে প্রচুর জমায়েত করায় তৃণমূল সরবত। তারা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সভার উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে এফ আই আরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈষ্ণবনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী স্বাধীন সরকার, সংযুক্ত মোর্চার হয়ে কংগ্রেসের প্রার্থী আজিজুল হক ও তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন চন্দনা সরকার। এই কেন্দ্রে ভোট ২৮এপ্রিল। প্রচার চলছে সব রাজনৈতিক দলের।

শনিবার কোভিড আচরণ বিধি শিকেয় তুলে অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর উপস্থিতিতে সভা হল মালদার বৈষ্ণবনগর বিধানসভা এলাকায়। এমনই অভিযোগ টিএমসির। বৈষ্ণবনগর ফুটবল খেলার মাঠে ৫০০ লোকের বসার ব্যবস্থা করা হলেও মিঠুন কে দেখতে আসে অন্তত হাজার দর্শক। করোনা সংক্রমণে মালদহ জেলা যখন কাঁপছে, ঠিক সেই মুহুর্তে হাজার হাজার লোকের উপস্থিতিতে এই সভা করা কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। মিঠুন চক্রবর্তীর জনসভা নির্বাচন কমিশনের আইনকে অমান্য করেছে বলেই বিরোধীরা দাবি করে।

দুপুর প্রায় একটা নাগাদ হেলিকপ্টারে নামেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। বৈষ্ণবনগর ফুটবল মাঠে প্রচুর মানুষের ভিড় হয়। মিঠুন ছাড়াও মঞ্চে ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপি প্রার্থী স্বাধীন কুমার সরকার, জেলা বিজেপির সম্পাদক মনোজ কুমার মন্ডল সহ অন্যান্যরা।

জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক দেবপ্রিয় সাহা বলেন, যখন মহামান্য আদালত ও নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে করোনা পরিস্থিতিতে কোনও সভা করা যাবে না। আমরা অবাক হয়ে দেখি ভারতীয় জনতা পার্টি মালদা জেলার বিভিন্ন জায়গায় সভা মিটিং মিছিল করছে। আমরা এই ঘটনার উপযুক্ত শাস্তি চাই, তদন্ত চাই। যারা করোনা ছড়াচ্ছে তাদের আমরা কঠোর শাস্তি দাবি করছি ।

জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল বলেন ,নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই বিজেপি সভা করে আসছে। আজও তার কোনও ব্যতিক্রম হয়নি। ৫০০ জনের বেশি যাতে বসতে না পারে সে কারণে আমরা চারশো জনের বসার আয়োজন করেছিলাম। মিঠুন চক্রবর্তীর নাম যখনই শুনেছেন তখনই হাজার হাজার মানুষ তার কাছে এসেছেন। ভিড় ছিল তা রক্ষা করা পুলিশের কাজ। জনগণের বসার জন্য আমরা এটা বলিনি। আমাদের কর্মীদের অনুষ্ঠান ছিল তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেখানে হঠাৎ করে যদি জনগণ চলে আসে তাহলে বিজেপি পার্টি কি করে আটকাবে তাদের। এর পেছনে নিশ্চয়ই ষড়যন্ত্র রয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.