লখনউ: বুয়া-ভাতিজা সম্পর্কে এবার দাঁড়ি টানতে চান মায়াবতী?

দলীয় বৈঠকে তেমনই বিস্ফোরক মন্তব্য দলিত নেত্রীর৷ সূত্রের খবর, ১১টি আসনের উপনির্বাচনে ‘একলা চলো’ নীতি নিয়েছেন মায়াবতী৷ যার অর্থ মহাজোট থেকে বেরিয়ে আসতে চান তিনি৷ কারণ? রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, লোকসভা ভোটের আগে ঘটা করে অখিলেশের সঙ্গে জোট বাধেন মায়াবতী৷ কিন্তু বিজেপি ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় সেই জোট৷ আশা জাগিয়েও চরম ব্যর্থ হয় বুয়া-ভাতিজা জুটি৷ বিজেপি যাতে এবার কেন্দ্রে ক্ষমতায় না আসে তার জন্যই দুই দলের কাছাকাছি আসা৷ সেটা না হওয়ায় আর জোটে থাকা নিরর্থক বলে মনে হয়েছে বসপা নেত্রীর৷ তাছাড়া আরও একটি কারণে তিনি জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷

সূত্রের খবর, মায়াবতীর এখন এই জোটকে ‘ফালতু’ বলে মনে হয়েছে৷ কারণ, ভোটের ফল পর্যালোচনা করে তিনি দেখেছেন যাদব ভোটের একটিও তাঁর দল পায়নি৷ তাস্বত্ত্বেও গতবার শূন্য আসন পাওয়া মায়াবতীর দল এবার ১০টি আসন পায়৷ এই লোকসভা ভোটে অখিলেশের পরিবার থেকেও মুখ ফিরিয়েছেন যাদবরা৷ তিনি মনে করেন, অখিলেশের কাকা শিবপাল যাদব ও কংগ্রেসের ভোট কাটাকাটি হয়েছে৷ সব পর্যবেক্ষণ করেই মায়াবতী জোট থেকে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷

আর এই মহাজোটের ক্ষতির অংশ সবথেকে বেশি যদি কারোর হয়ে থাকে তিনি অখিলেশ যাদব৷ এবারের ভোটে মাত্র পাঁচটি আসন পায় তাঁর দল৷ অখিলেশের স্ত্রী ডিম্পল ভোটে হেরেছেন৷ যাদব পরিবারের আরও দুই সদস্য অক্ষয় ও ধর্মেন্দ্র যাদব জিততে পারেননি৷ মায়াবতীর এই সিদ্ধান্তের পর অখিলেশ কোন পথ বেছে নেবেন সেটাই দেখার৷ এর আগে তিনি এই মহাজোটকে ২০২২ সালের বিধানসভা ভোট অবধি টেনে নিয়ে যাওয়ার কথা বলেছিলেন৷ তাই আলাপ আলোচনা করে মায়াবতীকে বুঝিয়ে জোটে ধরে রাখতে পারবেন কিনা তা সময় বলবে৷