নয়াদিল্লি:  বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় অনেকটাই দাম বেড়েছে গ্যাসের। এক ধাক্কায় গ্যাসের দাম এতটা বৃদ্ধি পাওয়াতে মধ্যবিত্তের হেঁসেলে রীতিমত আগুন। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিয়ে গ্যাসে ভর্তুকির পরিমাণ বাড়াল মোদী সরকার। গ্যাস সিলিন্ডারে দেওয়া ভর্তুকির পরিমাণ প্রায় দ্বিগুণ করে দিয়েছে। ইতিমধ্যে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে বিবৃতি জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির কারণও জানানো হয়েছে।

পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এখন দিল্লিতে ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারে ১৫৩.৮৬ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়ে থাকে। যা বাড়িয়ে ২৯১.৪৮ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা স্কিমের আওতায় বিতরণ করা সংযোগে সিলিন্ডার পিছু ভর্তুকি ছিল ১৭৪.৭৬ টাকা। তা বাড়িয়ে সিলিন্ডার পিছু ৩১২.৪৮ টাকা করা হয়েছে। দিল্লিতে ভর্তুকি যুক্ত এলপিজি সিলিন্ডার বাদ দিয়ে ১৪.২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৪৪.৫০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। যা ৭১৪ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৮৫৮.৫০ টাকা।

প্রসঙ্গত, ২০২০র জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। যার প্রভাব পড়ে গ্যাসের বাজারেও। দেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় ১৪৯ টাকা ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে। বুধবার থেকে কার্যকর হবে নতুন দাম।কলকাতায় ভর্তুকিহীন রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হচ্ছে ৮৯৬ টাকা। ডিসেম্বরের শুরুতেই এক লাফে সাড়ে ১৯ টাকা বেড়ে রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭২৫ টাকা ৫০ পয়সা। ৩১ দিনের মাথায় সেই দাম বেড়ে হয় ২১.৫০ টাকা। এ বার এক ধাক্কায় দাম বাড়ল ১৪৯ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।