নয়াদিল্লি: বিক্রি হতে চলেছে কিংবদন্তি ফুটবলার গ্যারিঞ্চার বাড়ি৷ স্মৃতির পাতায় অনেকটাই ঝাপসা প্রয়াত এই ব্রাজিলীয় ফুটবলার৷ শোনা যাচ্ছে, তাঁর বাড়ি অন-লাইনে বিক্রির ব্যস্থা করেছে তাঁর পরিবার৷ রিও ডি জেনেইরোর ছোট গ্রাম পাউ গ্রান্ডেতে অবস্থিত তাঁর বাড়ির দাম দেওয়া হয়েছে ভারতীয় অর্থে আনুমানিক ১২২১ কোটি টাকা৷

১৯৫৮ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জেতায় এই বাড়িটি গ্যারিঞ্চাকে উপহার দিয়েছিল একটি মার্কিন কোম্পানি৷ দীর্ঘদিন সেখানে বসবাস করার পর দারিদ্র ও মাদকাশক্ত হয়ে ১৯৮৩ সালে মারা যান গ্যারিঞ্চা৷ তারপর থেকে বাড়িটির মালিকানা নিয়ে তাঁর ১৪ জন সন্তানের মধ্যে অনেকবার বচসা হয়েছে৷ তবে জানা গিয়েছে, বাড়িটি তাঁর নাতনি আলেজান্দ্রা মারিওর নামে রয়েছে৷ এটি বিক্রি করে গ্রাম ছাড়তে চান তিনি৷

তাঁর পরিবারের গলায় আক্ষেপের সুর৷ দেশের জার্সি গায়ে এতো সাফল্য দিলেও নিজে কিছুই পাননি গ্যারিঞ্চা৷ ব্রাজিলিয়ায় তাঁর নামে একটি স্টেডিয়াম ছাড়া ব্রাজিল সরকার আর কিছুই দেয়নি এই কিংবদন্তিকে৷ তাঁদের আশা, কোনও ফুটবলপ্রেমী বাড়িটি কিনে এটিকে ফুটবলের যাদুঘর হিসেবে জনপ্রিয় করে তুলবেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।