নয়াদিল্লিঃ বন্ধ হয়ে যাবে গরীব রথ। সম্প্রতি এমনটাই শোনা যাচ্ছিল৷ কিন্তু জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শুক্রবার রেল মন্ত্রকের তরফে জানান হয়েছে, গরীব রথ ট্রেন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এমন ব্যাপার নেই। ছুটবে গরীব রথ। বন্ধ হয়ে যাবে এমন খবর সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করা হয়েছে রেল মন্ত্রকের তরফে। তবে সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, গরীব রথ ট্রেনগুলি সম্পূর্ণরূপে পর্যায়ক্রমে মেল বা এক্সপ্রেস ট্রেনে রূপান্তরিত করা হবে।

রেল মন্ত্রক আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, এখনও পর্যন্ত এমন কোন পরিকল্পনা নেই যে গরীব রথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। রেল মন্ত্রকের তরফে এও জানান হয়েছে, “ভবিষ্যতে যদি কিছু বদল আসে তাহলে তাহলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।”

বৃহস্পতিবার জানা যায়, ইতিমধ্যেই নাকি রেল মন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছে, গরীব রথের জন্য কোন নতুন কোচ তৈরি না করতে। উল্লেখজনকভাবে, রেল মন্ত্রক ইতিমধ্যেই কাঠগোদাম-জম্মু এবং কাঠগোদাম-কানপুর রুটে মেল ট্রেন বা এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষেত্রে নিজেদের পরিষেবায় পরিবর্তন করেছে। সংশ্লিষ্ট রুটগুলিতে মেল​বা এক্সপ্রেস ট্রেনের ক্ষেত্রে ট্রেনের ভাড়া বেড়ে যাবে।

উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, দিল্লি-বান্দ্রা গরীব রথের টিকিট মূল্য রয়েছে বর্তমানে ১০৫০ টাকা। বর্তমানে এক্সপ্রেস ট্রেন সেই জায়গায় আসায় ভাড়া বেড়ে গিয়ে দাঁড়াবে ১,৫০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা। রেল ওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে জানা গিয়েছে, সরকারি নির্দেশে ইতিমধ্যেই নতুন কোচ তৈরির কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, গরীব রথ ট্রেনগুলি বয়স ১০ থেকে ১৪ বছর। তাই এগুলির জন্য ভারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। যার জন্য বহুল পরিমাণে খরচ বহন করতে হবে রেল মন্ত্রককে। ট্রেনগুলি এসি এক্সপ্রেস করে দিলে বেশি রাজস্ব মিলবে।

উল্লেখ্য, গরীব রথ ট্রেনের যাত্রা শুরু হয়, পঞ্জাবের অমৃতসর থেকে। বর্তমানে গোটা দেশ জুড়ে মোট ২৬টি গরীব রথ পরিষেবা দিয়ে থাকে। ২০০৬ সালে লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী থাকাকালীনই গরীব রথকে এসিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।