হাওড়া: ভোট আবহের মাঝেই ব্যাপকভাবে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনা। বাংলার অন্যান্য জেলার মতো হাওড়া জেলাতেও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এবার করোনা সংক্রমণের প্রভাব পড়ল জেলার পর্যটনের উপর। পর্যটকদের সুরক্ষার কথা ভেবে বন্ধ করে দেওয়া হল শ্যামপুরের গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র।

গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র পরিচালনা করে হাওড়া জেলা পরিষদ। হাওড়া জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, করোনা সংক্রমণের জেরে বুধবার থেকে আগামী ১৫ ই মে অব্ধি গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তৎকালীন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে উল্লেখযোগ্য স্থান করে নিয়েছে গ্রামীণ হাওড়ার এই পর্যটনকেন্দ্র। নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ স্থানে গড়ে উঠেছে গড়চুমুক পর্যটন কেন্দ্র। ফি-বছর বহু মানুষ এখানে আসেন। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে এবার তা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল হাওড়া জেলা পরিষদ।

জাঁকিয়ে বসেছে করোনার সংক্রমণ। সেকেন্ড ওয়েভ তান্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। এই অবস্থায় সংক্রমণ রুখতে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত কেন্দ্রের আওতাধীন অর্থাৎ ‘আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার’ (ASI) দ্বারা সুরক্ষিত সমস্ত জাদুঘর, স্মৃতিসৌধ এবং মন্দিরের দরজা দর্শকদের জন্য আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃত এবং পর্যটন দফতরের মন্ত্রী প্রহ্লাদ প্যাটেল একটি টুইট করে এই খবর জানান।

টুইটে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘দেশে যেভাবে করোনা বাড়ছে তাতে এএসআই – এর নির্দেশে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত কেন্দ্রের আওতাধীন সমস্ত মন্দির, মসজিদ, মনুমেন্ট এবং জাদুঘর বন্ধ রাখা হবে। পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। এর মধ্যে ৩,৬৯৩ টি স্মৃতিস্তম্ভ এবং ৫০ টি জাদুঘর রয়েছে।’ পর্যটন মন্ত্রকের মিডিয়া উপদেষ্টা নিতিন ত্রিপাঠি জানিয়েছিলেন, ‘পুরীর জগন্নাথ মন্দির এবং সোমনাথ মন্দিরের মতো সরাসরি প্রতিদিন পুজোপাঠ অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোনও ভক্ত জনসমাগমের অনুমতি দেওয়া হবে না।’

করোনা মহামারীর কারণে গত বছর ১৭ মার্চ থেকে ‘এএসআই’ দ্বারা সুরক্ষিত সমস্ত স্মৃতিসৌধ এবং জাদুঘরগুলি বন্ধ রাখা হয়েছিল। তারপর ধীরে ধীরে জুলাই মাসে সব খুলে দেওয়ার পর দর্শকদের জন্য কঠোর ভাবে সরকারি গাইডলাইন মেনে চলার নির্দেশিকায় জারি করা হয়েছিল। মাস্ক পড়ে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ফের দর্শকদের জন্য খুলে যায় বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলির দরজা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.