বার্লিন: করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়েছে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে সব দেশ এখনও এই ভ্যাকসিনকে ‘পাশ’ বলে ধরে নেয়নি। তাঁরা বলছেন পরীক্ষা নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। এ অবস্থায় বিজ্ঞানীরা বলছেন, মাউথ ওয়াশ দিয়ে গারগলিং করলে মুখ এবং গলাতে উপস্থিত করোনার ভাইরাসের সংখ্যা হ্রাস পেতে পারে।

পিটিআই-এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, জার্মানির রুহর বিশ্ববিদ্যালয় বোচুমের বিজ্ঞানীরা অন্যান্য গবেষকদের নিয়ে, মাউথওয়াশ এবং করোনা ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করেছেন।

বিজ্ঞানীরা মোটেই বলেননি যে, মাউথওয়াশের ব্যবহার শরীরে করোনাকে দূর করা যায়। তাঁরা বলেছেন, করোনা রোগীদের মুখ এবং গলায় বিপুল সংখ্যক ভাইরাস উপস্থিত থাকে। মাউথওয়াশ দিয়ে এই ভাইরাসগুলিকে নিষ্ক্রিয় করা যেতে পারে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মুখ এবং গলায় ভাইরাসের পরিমাণ হ্রাস পেলে সীমিত সময়ের জন্য সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যেতে পারে। এই গবেষণাটি জার্নাল অফ ইনফেকশাস ডিজিজ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

মাউথওয়াশের গুণগানের সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে বলেছেন, মাউথওয়াশ করোনার সংক্রমণের উপযুক্ত চিকিত্সা নয় এবং মাউথওয়াশ সংক্রমণকে পুরোপুরি প্রতিরোধ করে না।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, সংক্রমণটি মূলত সংক্রামিত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস থেকে ছড়ায়। অনেক সময় মুখের মধ্যে দিয়ে কথা বলা বা হাঁচার মাধ্যমেও এই ভাইরাস অন্য ব্যক্তির দেহে ছড়িয়ে পড়ে। মাউথওয়াশ ব্যবহার করলে মুখের ভাইরাস মারা যায় ও সাময়িক ভাবে কিছুক্ষণের জন্য স্বস্তি পাওয়া যেতে পারে। তবে এই বিষয়ে আরও ক্লিনিকাল গবেষণা প্রয়োজন বলে মানছেন বিজ্ঞানীরা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও