বাঁকুড়াঃ অবৈধ লাগানো গাঁজা গাছ উদ্ধার করে বড়সড় সাফল্য পেলেন আবগারি দফতরের আধিকারিকরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই দফতরের আধিকারিকরা বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটি থানা এলাকার কেশিয়াড়া গ্রামে অতর্কিতে হানা দিয়ে একটি নির্মীয়মান বাড়ির ভীতর থেকে বেশ কিছু গাঁজা গাছের সন্ধান পান। সরকারী নিয়মানুযায়ী এই মাদক দ্রব্যের চাষ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এদিন ওই বাড়ির ভিতরে চাষ করা গাঁজা গাছ গুলি আবগারি দফতরের আধিকারিকরা সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ওই নির্মীয়মান বাড়ির গৃহকর্ত্রী পুতুল বাদ্যকর গাঁজা চাষের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, তারা কেউ চাষ করেননি। বীজ পড়েই এই গাছ হয়েছে। এই বিষয়ে আবগারি দফতরের আধিকারিক সন্তোষ সেনগুপ্ত বলেন, কোনভাবেই এই চাষ কেউ করতে পারেননা। আমরা বেশ কিছু গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছি। তদন্ত চলছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।