নয়াদিল্লি: টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরেও বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের দরাজ সার্টিফিকেট পেলেন হরমনপ্রীত অ্যান্ড কোম্পানি। গ্রুপ লিগের সবক’টি ম্যাচ জিতে নক-আউট স্টেজে কোয়ালিফাই করলেও হাইভোল্টেজ ফাইনালে রবিবাসরীয় ফাইনালে স্নায়ুর চাপ ধরে রাখতে ব্যর্থ শেফালি-মন্ধনারা। অস্ট্রেলিয়ার পাহাড়প্রমান টার্গেটের সামনে অসহায় আত্মসমর্পণ করে ভারতের মেয়েরা। তবু বিসিসিআই প্রেসিডেন্টের কথায় ওরা দুর্দান্ত পারফর্ম করেছে।

হরমনপ্রীত ব্রিগেডের প্রশংসা করে সৌরভ জানান, ‘আসলে অস্ট্রেলিয়া দুরন্ত খেলেছে। ওরা আমাদের দাঁড়াতেই দেয়নি। খেলায় হার-জিত থাকবেই। তাই বলে আমাদের মেয়েদের দুরন্ত পারফরম্যান্সকে অস্বীকার করার উপায় নেই।’ মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট লেখেন, ‘মেয়েরা তোমরা দারুণ খেলেছো। পরপর দু’টো বিশ্বকাপ ফাইনাল, দু’টোতেই হার। তবু বলবো টুর্নামেন্ট জুড়ে সুপার পারফর্ম্যান্স ছিল তোমাদের। নিশ্চয় একদিন ট্রফি জিতে ফিরবে তোমরা। ক্রিকেটারদের জন্য ভালোবাসা।’

মহিলা দলের প্রশংসা করার পাশাপাশি রঞ্জি ফাইনালে নামার আগে বাংলা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নামার আগে বাংলা দলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সৌরভ বলেন, ‘আমি চাই ভাগ্য ওদের সহায় হোক।’ উল্লেখ্য, প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে সৌরভের অভিষেক মরশুমে শেষবারের মতো রঞ্জি জিতেছিল বাংলা। আর ১৩ বছর আগে ২০০৬-০৭ মরশুমে শেষবার রঞ্জির ফাইনাল খেলেছিল তারা। অর্থাৎ, ১৩ বছর পর ফাইনালে পৌঁছনো বাংলার কাছে ৩০ বছর পর খেতাব জয়ের হাতছানি।

একইসঙ্গে রবিবাসরীয় যুবভারতীতে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে আইএসএল সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগ শুরুর আগে মহারাজ বলেন, গত পাঁচ বছরে এটাই এটিকে’র সেরা দল। দলের অন্যতম মালিকের কথায়, ০-১ পিছিয়ে থাকাটা খুব বড় কথা নয়। আমরা জানি আমরাই জিতব। আমি হাবাসের একজন অন্ধ ভক্ত। উনি এটিকে’র ঘরের মানুষ।’

উল্লেখ্য, ঘরের মাঠে রবিবার পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেয় এটিকে। ডেভিড উইলিয়ামসের জোড়া গোল ও রয় কৃষ্ণার গোলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরুকে এগ্রিগেটে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে তৃতীয়বারের জন্য ফাইনাল নিশ্চিত করেছে এটিকে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প