নয়াদিল্লি: জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে হল এনকাউন্টার। আর সেই এনকাউন্টারে মারাত্মক জখম হল এক গ্যাংস্টার।

জখম হওয়া ওই দুষ্কৃতীর নাম পরমজিত দালাল। ২০১৬ সাল থেকে তাকে খুজছিল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে খুন, দাকাতি এবং অপহরণের মতো মারাত্নক অভিযোগ ছিল।

সংবাদ সংস্থা এএনআই সুত্রে খবর, মঙ্গলবার ভোরের দিকে দিল্লির রোহিনী এলাকায় শুরু হয় এনকাউন্টার। ওই এলাকার ৩৭ নম্বর সেক্টরে আত্মগোপন করে রয়েছে পরমজিত। সূত্র মারফৎ সেই খবর পেয়েছিল পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই এদিন ভোরে অভিযানে নামে এনআর-এর বিশেষ দল।

অভিযানের জন্য ভোরের সময়কেই বেছে নেওয়ার অন্যতম বড় কারণ হচ্ছে আবহাওয়া এবং জনঘনত্ব। জাতীয় রাজধানী দিল্লির গরম এমনিতেই বেশি। তার উপরে জনসংখ্যাও কিছু কম নয়। এই দুই প্রতিকূলতা এড়াতে ভোরের সময়কেই আদর্শ মনে করা হয়। রাতে অভিযান চালাতে গেলে দুষ্কৃতীর পালিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই আশঙ্কায় ঝুঁকি নেওয়া হয়নি।

কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর খোঁজে দীর্ঘ দিন ধরে ওত পেতেছিল পুলিশ। বিভিন্ন সময়ে জাতীয় রাজধানীর বুকে নানাবিধ অপরাধের সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল তার। দিল্লি পুলিশের মোস্ট ওয়ান্টেড অপরাধীর তালিকায় আট নম্বরে নাম ছিল এই পরমজিতের। পুলিশের পক্ষ থেকে তার মাথার দাম ঘোষণা করা হয়েছিল এক লক্ষ টাকা।

২০১৬ সালে এক বযবসায়ীকে অপহরণ করে ২৫ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল পরমজিত। পরে ৯০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ওই ব্যবসায়ীকে মুক্তি দেয় সে। সেই সময় থেকেই পরমজিতের খোঁজে হন্যে হয়ে পরে দিল্লি পুলিশ। ওই ঘটনার এক বছর পরে তার দুই সাগরেদকে পাকড়া করে পুলিশ। যদিও পরমজিতের সন্ধান মেলেনি।

অবশেষে মঙ্গলবার সকালে এই দাগি অপরাধীকে পাকরাও করেছে পুলিশ। তবে এনকাউন্টারের সাহায্যে। বাহিনীর এনকাউন্টারে মারাত্মক জখম হয়েছে পরমজিত দালাল। তাকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।