নয়াদিল্লি: এ যেন উলটপুরাণ। তিহার জেলের কর্মীরা নাকি দুর্ব্যবহার করছেন, এমনই অভিযোগ তুলে অন্যত্র যাওয়ার আবেদন করল এক কুখ্যাত অপরাধী। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে তাকে অন্য সেলে পাঠিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে তিহার জেলে। মাফিয়া ডন মুন্না বজরঙ্গির খুনি গ্যাংস্টার সুনীল রাঠিকে হাই সিকিওরিটি ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কারণ তার দাবি ছিল যে সেলে সে রয়েছে, তার নিরাপত্তারক্ষীরা ভয়ঙ্কর। কোনও সাহায্য তাদের থেকে পাওয়া যায় না। দিল্লি আদালতে দেওয়া এক হলফনামায় এমনই জানিয়েছিল সুনীল রাঠি,

অতিরিক্ত সেশন জাজ কামিনি লাওয়ের নির্দেশে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়। শেষ পাওয়া রিপোর্টে জানা গিয়েছে, হাই সিকিওরিটি জোনের ৫ নম্বর সেল থেকে তাকে সরিয়ে ৩ নম্বর সেলে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, আদালতের পক্ষ থেকে সুনীল রাঠির স্লিপ ডিস্কের সমস্যার জন্য অতিরিক্ত বিছানা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ৫ নম্বর সেলের নিরাপত্তারক্ষীরা তা তাকে দেয়নি। এমনকী বাড়ির লোকেদের সাথেও তাকে দেখা করতে দেওয়া হত না বলে অভিযোগ।

২০০৬ সালের ১৮ই জুন উত্তর প্রদেশের ইরিগেশন ডিপার্টমেন্টের সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার রাধে শ্যামকে খুন করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই মামলা ওঠে সুপ্রিম কোর্টে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশেই সুনীল রাঠিকে বন্দি করা হয়। ২০১৮ সালের ৯ই জুলাই বাগপত জেলের মধ্যেই বজরঙ্গীকে খুন করে সে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.