লখনউ: উত্তরপ্রদেশের মহিলাদের বিরুদ্ধে যৌন হিংসার ঘটনা থামার নামই নিচ্ছেনা৷ প্রতিদিনই উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির মতো ঘটনার কথা জানা যাচ্ছে৷ বুধবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে দেখা গেল৷ শাহজানাহনপুরে এক মহিলাকে গণধর্ষণের পর তাকে খুন করা হয়েছে৷ গোটা দিন মৃতদেহ ঘরে পরে থাকার পর পুলিশের কাছে খবর গেলে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়৷

জানা গেছে মহিলা রাতে শৌচের জন্য বাড়ি থেকে বেড়িয়ে ছিল৷ তখনই তাকে গনধর্ষণের পর খুন করে দুষ্কৃতীরা৷ মহিলার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিকে গণধর্ষণের পর সালফার খাইয়ে খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে৷ যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে জানা গেছে দম বন্ধ হওয়ার কারণেই মহিলার মৃত্যু হয়েছে৷ এই মামলার পুলিশ ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে৷ পুলিশ সূত্রে জানা গেছে স্থানীয় স্কুলে মহিলাকে ধর্ষণ করা হয়েছে৷ পুলিশ স্কুলের সেই ঘরটি সীল করে দিয়েছে৷ মৃতা মহিলার বয়স প্রায় ৩৭ বছর এবং তার তিনটি সন্তান রয়েছে৷ তার স্বামী দিল্লিতে শ্রমিকের কাজ করতেন৷ রবিবার রাত নটা নাগাদ শৌচের জন্য বাইরে গেলেই এই ঘটনা ঘটে৷

মহিলার দেওর ও জা জানিয়েছে, মহিলা ঘটনার দিন রাত প্রায় ১টার সময় বিপর্যস্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে জানান গ্রামের তিন ব্যাক্তি তাকে সরকারি স্কুলের ঘরে টেনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে৷ মহিলা ওই তিন ব্যাক্তিকে পুলিশের ভয় দেখালে তারা তাকে জোর করে সালফারের বড়ি খাইয়ে দেয়৷ মহিলার জা এই ঘটনা তার শ্বশুর, স্বামী ও গ্রামের লোকেদের জানায়৷ এর কিছুক্ষণ পরেই মহিলা মারা যায়৷ এরপরই পরিবারের লোকেরা মৃতার স্বামীকে দিল্লিতে খবর পাঠায়৷ মহিলার জা পুলিশকে ঘটনার কথা জানালেও পুলিশ এটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু জানিয়ে মৃতদেহকে ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয়৷ এরপর মঙ্গলবার রাতে পুলিশ মহিলার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিকে ঘর্ষণের মামলা দায়ের করে রিঙ্কু নামের এক ব্যাক্তিসহ মোট তিনজনকে গ্রেফতার করে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.