হিন্দু শাস্ত্র (hindu mythology) অনুসারে বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের সপ্তমী তিথিতে মা গঙ্গা স্বর্গলোক থেকে ভগবান শিবের জটায় আসীন হয়েছিলেন। তাই এই দিনটি গঙ্গা সপ্তমী (ganga saptami ) রূপে পরিচিত।

এইদিন মা গঙ্গার বিশেষ পূজা করা হয় (ganga saptami) এবং সেই পুজো বিশেষ ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। এই বছর ১৮ ই মে গঙ্গা সপ্তমী (ganga saptami) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে।

মনে করা হয় এই দিনে মা গঙ্গা ধরিত্রীতে অবতরণ করেছিলেন। ঋষি ভগিরথের কঠোর তপস্যার ফলে প্রসন্ন হয়ে মা গঙ্গা মর্তে আসেন।

এদিন গঙ্গায় স্নান (bath in Ganga) করলে নাকি মনের সমস্ত পাপ ধুয়ে ফেলা যায় ও মন শুদ্ধ হয়। এই দিন দানকর্মের উপরেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বলা হয় এই দিন গঙ্গাস্নান, তপস্যা অথবা দান করা পুণ্যের কাজ। আবার এও মনে করা হয় যে গঙ্গায় স্নান করলে সেই জলে সংস্পর্শে ও গঙ্গা দেবীর আশীর্বাদে আপনার শরীরের সমস্ত রোগ ধুয়ে যেতে পারে।

আরো পোস্ট-  সন্তানকে স্নেহের পরশ: আদর করুন মেপে

কিন্তু এই বছর মহামারীর (pandemic) সময় এই নিয়ম পালিত হচ্ছে না। তবে আপনি বাড়িতেই গঙ্গা সপ্তমী তে মা গঙ্গার পুজো করতে পারেন।

স্নানের সময় গঙ্গা জলে স্নান করে নিজেকে পবিত্র করার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। গঙ্গা সপ্তমীর দিন অথবা স্টিলের ঘটিতে গঙ্গা জল ভরে তার মধ্যে পাঁচটি বেলপাতা দিয়ে দিন।

এদিন সকালে অথবা সন্ধ্যেবেলা বাড়ি থেকে বের হতে হলে খালি পায়ে যান। বাড়িতে শিবমূর্তি থাকলে অথবা মহাদেবের কোন ছবি থাকলে সেখানে একটি ঘটিতে করে গঙ্গাজল নিয়ে “নমঃ শিবায়” মন্ত্র জপ করতে সেই জল ঢালুন।

গঙ্গা জল ঢালার পরে দেবাদিদেব শিবের পায়ে বেল পত্র অর্পণ করুন। মনে করা হয় এভাবে মা গঙ্গার পুজো করলে বাড়িতে কোনদিনই ধনসম্পত্তির অভাব হবে না।

 বাড়িতে সুখ-শান্তি সর্বদাই বিরাজ করবে। এই বছর মঙ্গলবার ১৮ ই মে গঙ্গা সপ্তমী পড়েছে।

ওই দিন দুপুর ১২ টা ৩২ মিনিট থেকে পরের দিন অর্থাৎ বুধবার ১৯ সে মে দুপুর ১২ টা ৫০ মিনিট অবধি পূজার তিথি থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.