স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: বর্ষা আসতেই ভাঙন শুরু মালদহে। কালিয়াচক তিন নম্বর ব্লকের বৈষ্ণবনগরের চিনা বাজার এলাকায় ব্যাপক ভাঙন। যার জেরে ইতিমধ্যে প্রায় তিনশো বিঘার উপরে জমি তলিয়ে গিয়েছে। গঙ্গার ভাঙন এতটাই ভংকর চেহারা নিয়েছে যে দিনের পর দিন তলিয়ে যাচ্ছে সমস্ত কিছু।

সোমবারও প্রায় ত্রিশ মিটারের বেশি ভাঙন হয়েছে। তলিয়ে গিয়েছে বেশ কিছু বাড়ি। ভাঙন আতঙ্কে বীরনগর এলাকার বাসিন্দারা। সোমবার সকাল থেকেই চিনা বাজার ও বালুগ্রাম এলাকায় গঙ্গা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা যায়। প্রায় ৭০ টির বেশি বাড়ি গঙ্গাবক্ষে তলিয়ে গিয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কে এলাকাবাসী। অন্য জায়গায় ও আমবাগানে আশ্রয় নিচ্ছে। তাঁদের অভিযোগ, এই পরিস্থিতিতেও জেলা প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা কেউই তাঁদের কোনও খোঁজখবর নেয়নি।

এমনকি এলাকা থেকে কিছুটা দূরত্বে সরকারি অনুষ্ঠানে মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌড় চন্দ্র মন্ডল, জেলাশাসক যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের কাছে ঘটনার সমস্ত খবর পাওয়ার পরেই গ্রামে আসার প্রয়োজন বোধ করেননি জেলা শাসক। এমনটাই অভিযোগ এলাকার মানুষের।

যদিও এরপরেই জেলাশাসক রাজশ্রী মিত্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন,”ওই এলাকার কাজ ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ করে। তাঁদের সাথে আমরা যোগাযোগ রাখছি।”

অন্যদিকে, বিজেপির মালদহ জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “দিনের পর দিন ধরে ওই এলাকায় ভাঙানো হচ্ছে। কিন্তু ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষকে পূনর্বাসনের কোন ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। কয়েকশো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কিন্তু সামান্য কিছু মানুষকে নতুন করে পাট্টা বিলি করে হাত-পা ঝেড়ে ফেলতে চাইছে জেলা প্রশাসন।”

মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি গৌর চন্দ্র মন্ডল বলেন, “ফারাক্কা ব্যারেজ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে আমরা ৬৪টি পরিবারকে নতুন করে সরকারি খাস জমিতে পাট্টা দিয়েছি।”

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।