গুড়গাঁও: ফের একবার গণধর্ষণের ঘটনা ঘটল৷ গুড়গাঁওয়ের সেক্টর পাঁচ থানা এলাকায় একটি ১৯ বছরের যুবতীকে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে৷ যুবতীর অভিযোগ তার মামার বন্ধু এই ঘটনার ষড়যন্ত্র করে সঙ্গীদের সঙ্গে মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে৷ বুধবার রাতে ওই যুবতী সেক্টর পাঁচ থানায় অভিযোগ দায়ের করে৷

যুবতী জানায় ফরিদাবাদ ভীমনগর বস্তির বাসিন্দা রঞ্জিত, দীপক ও প্রেম তার মামার বাড়িতে মাঝে মধ্যেই আসত৷ তিন যুবক তার বাড়িতে এসে বলে তার মামী শীতলা মন্দিরে এসেছে এবং তাকে ডেকেছে৷ এরপর যুবতী তিনজনের সঙ্গে চলে যায়৷ এরই মাঝে ওই যুবকেরা যুবতীকে নেশার ওষুধ খাইয়ে দেয়৷ এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তিনজন তাকে গুরগাঁয়ের একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করে৷ ধর্ষণের পর তারা তাকে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে চলে যায়৷ কোন প্রকারে যুবতী বাড়ি এসে তার পরিবারকে সমস্ত ঘটনা জানায়৷ অিযোগ দায়ের হলে পুলিশ যুবতীর মেডিকেল টেস্ট করে গণধর্ষণের প্রমাণ পায়৷ পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত রঞ্জিতকে গ্রেফতরা করে বৃহস্পতিবার আদালতে পেশ করে৷ আদালত তাকে এক দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে৷ সেক্ট পাঁচ থানার পুলিশ জানিয়েছে, অন্য দুই অভিযুক্তের খোঁজে ফরিদাবাদ এলাকায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে৷ শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করা হবে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.