স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: দিদির বাড়ি যাওয়ার পথে গণধর্ষণের শিকার হয় এক তরুণী৷ ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই যুবককে৷ ধৃতদের নাম মদন দাস ও বিশ্বজিৎ রায়৷ তবে পলাতক এই কাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা আরও তিন যুবক৷ তাদের নাম বিশু দাস, হীরা রায় ও সুব্রত রায়৷ এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানা এলাকার সন্ন্যাসী হাট এলাকায়৷

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের কুকুরজান এলাকার এক তরুণী (১৯) বাড়ি থেকে দিদির বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বেরোয়৷ দিদির বাড়ি জহুরি এলাকায় হওয়াতে সাইকেলে নিয়ে একাই রওনা দেয় সে৷ তবে প্রায় দিনই ওই পথেই দিদির বাড়ি গিয়ে থাকে ওই তরুণী৷ এদিন গভীর রাত না হলেও সন্ধ্যের পর ওই তরুণী বাড়ি থেকে রওনা দেয়৷ অভিযোগ, সেই সময় নির্জন জায়গায় ওই তরুণীকে নিয়ে যায় বেশ কয়েকজন যুবক৷ এরপর সকলে মিলে তাকে গণধর্ষণ করে৷ ওই তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়৷

অভিযোগ পত্রে জানানো হয়, ওই তরুণী নির্জন পথে সাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় কোতোয়ালি থানায় অধীনে সন্ন্যাসী হাট এলাকায় তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায় দুই যুবক৷ তারা গ্রেফতার হওয়া মদন দাস ও বিশ্বজিৎ রায়৷ তারাই ওই তরুণীকে সাইকেল থেকে জোর করে নামিয়ে রাস্তার পাশে একটি নির্জন বাড়িতে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ৷

অভিযোগ, ওই বাড়িতে সেই সময় মদের আসর বসেছিল৷ সেই আসরে উপস্থিত ছিল অভিযুক্ত বিশু দাস, হীরা রায় ও সুব্রত রায় নামে আরও তিন যুবক৷ সেখানেই ওই তরুণীকে একে একে ধর্ষণ ও শারীরিক অত্যাচার করে বলে অভিযোগ তোলা হয়৷ তবে এই গোটা ঘটনা প্রতিবেশী এক যুবক আঁচ করতে পারে৷ সে ওই বাড়িতে গেলেই ওই তরুণীকে ফেলে পাঁচ যুবক পালিয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে৷ এই খবর পেয়ে ছুটে আসে এলাকাবাসীরা৷ পুলিশে খবর দেওয়া হলে দুই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ৷ তবে পলাতকদের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু হয়েছে৷ বুধবার ভোর রাতে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই তরুণীকে জলপাইগুড়ি সদর হাসপাতালের মাদার হাবে নিয়ে যাওয়া হয়৷ বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই তরুণী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.