তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ ‘জাতীর জনক’ মহাত্মা গান্ধীর তিরোধান দিবসে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বধর্ম প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হলো বাঁকুড়ায়। বৃহস্পতিবার জেলাশাসকের বাংলো, রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত ‘হিল হাউসে’ এই অনুষ্ঠানে জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস সহ বিশিষ্টরা গান্ধী প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করেন। স্বাগত ভাষণ দেন জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক অরুণাভ মিত্র।

এদিন গান্ধীজির প্রয়াণ দিবস উপলক্ষ্যে নির্মলডাঙ্গার পরমার্থ সাধক সঙ্ঘের স্বামী লক্ষ্মণ রামেশ্বর পূরী পবিত্র গীতা পাঠ করেন। এছাড়াও জুমা মসজিদ, বাঁকুড়ার ইমাম কোরান পাঠ, শহরের সেন্ট্রাল চার্চের বিশপ প্রতিনিধি রেভারেন্ট সুমন্ত নাডু, ৫৬ বেঙ্গল ব্যাটিলয়নের দর্শণ সিং পবিত্র গ্রন্থসাহেব পাঠ ও বৌদ্ধ ও জৈন ধর্ম বিষয়ক আলোচনা করেন বাঁকুড়া জেলা সারদামনি মহিলা মহাবিদ্যাপিঠের অধ্যাপিকা সানুশ্রী ভট্টাচার্য। ঘড়ির কাঁটা ধরে ঠিক ১০ টা ৫৯ থেকে ১১ টা ও পরে ১১ টা ০২ থেকে ১১ টা ০৩ পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলা সংশোধনাগার থেকে সাইরেন বাজানো হয়। মাঝে ১১ টা থেকে ১১ টা ০২ পর্যন্ত জাতীর জনকের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ২ মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

এদিন জেলাশাসক ডাঃ উমাশঙ্কর এস এদিন তাঁর ভাষণে বলেন, স্বাধীনতার পর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞানে আমাদের দেশ অনেকখানি এগিয়ে গেছে। মহাত্মা গান্ধী মনে করতেন গ্রাম না এগোলে দেশ কখনো এগোবেনা। তাই তিনি গ্রামীণ প্রান্তিক মানুষের সামাজিক উন্নতি সাধনে বরাবর সচেষ্ট ছিলেন। তাই রাজ্য সরকারের সৌজন্যে জেলাপ্রশাসন সবসময় তাঁর নীতিকে আদর্শ করে বিভিন্ন ধরণের প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। একই সঙ্গে জাতির জনকের স্বপ্ন পূরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV