চেন্নাই: পরিকল্পনাহীন বোলিং পরিবর্তন। ৯ রানের মধ্যে আরসিবি’র ২ উইকেট তুলে নিয়েও তার ফায়দা তুলতে ব্যর্থ পার্পল ব্রিগেড। উলটে রবিবাসরীয় ডাবল-হেডারের প্রথম ম্যাচে নাইট বোলারদের সধারণস্তরে নামিয়ে এনে চেন্নাই’য়ে রানের পাহাড়ে চড়ল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এবি ডি’ভিলিয়ার্স, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ধুন্ধুমার ব্যাটিং’য়ে নাইটদের ২০৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া আরসিবি ম্যাচ জিতল ৩৮ রানে।

আর আরসিবি’র বিরুদ্ধে নাইট বোলারদের হতশ্রী পারফরম্যান্সের কারণে ইংরেজ অধিনায়ক ইয়ন মর্গ্যানকে কাঠগড়ায় তুললেন গৌতম গম্ভীর। রবিবার আরসিবি’র বিরুদ্ধে মর্গ্যানের অধিনায়কত্ব নিয়ে বেজায় ক্ষুব্ধ নাইটদের দু’বার খেতাব এনে দেওয়া অধিনায়ক। এমনকি গম্ভীর জানিয়েছেন, কোনও ভারতীয় অধিনায়ক এই জায়গায় থাকলে তাকে অধিনায়কের পদ থেকে বহিষ্কার করা হত। এদিন স্টার স্পোর্টসে তাঁর ক্রিকেটীয় বিশ্লেষণে আরসিবি’র বিরুদ্ধে মর্গ্যানের অধিনায়কত্বের একাধিক ফাঁকফোঁকর তুলে ধরেন গম্ভীর।

মর্গ্যানের অধিনায়কত্বকে ‘সবচেয়ে অদ্ভুত’ আখ্যা দিয়ে গম্ভীর বলেন, ‘বিরাট কোহলির উইকেটটা ভীষণ বড় উইকেট ছিল সন্দেহ নেই। কিন্তু এরপর আমি জীবনের সবচেয়ে খারাপ অধিনায়কত্ব দেখলাম। কোনও বোলার প্রথম ওভারে দু’টো উইকেট নেওয়ার পর পরের ওভার বল করার সুযোগ পায় না কীভাবে। বিশেষ করে যখন ফর্মে থাকা একজন ব্যাটসম্যান ক্রিজে নামে। বরুণ চক্রবর্তী যদি ওই সময় এসে তৃতীয় উইকেটটা তুলে নিত কিংবা ম্যাক্সওয়েলকে আউট করে দিত ম্যাচ তখনই শেষ হয়ে যেতে পারত।’

গম্ভীর বলেন, ‘হ্যাঁ, অবশ্যই ডি’ভিলিয়ার্স ছিল কিন্তু ওর উপর সেক্ষেত্রে চাপ থাকত।’ জাতীয় দলের প্রাক্তন তারকা ব্যাটসম্যানের কথায় এমন ভুল কোনও ভারতীয় অধিনায়ক করলে তাকে প্রবল সমালোচিত হতে হত। প্রাক্তন নাইট অধিনায়কের কথায়, ‘আমি এটা ভেবে খুশি যে কোনও ভারতীয় অধিনায়ক এই ভুলটা করেনি। কারণ ভারতীয় কোনও অধিনায়ক এই ভুল করলে অনুরাগীরা তার উপর ক্ষোভ উগড়ে দিতেন। এটা আমার দেখা সম্ভবত সবচেয়ে হাস্যকর অধিনায়কত্বের নমুনা।’

উল্লেখ্য, ৯ রানে ২ উইকেট খুঁইয়েও পরবর্তীতে ম্যাক্সওয়েলের ৪৯ বলে ৭৮ এবং ডি’ভিলিয়ার্সের মারকাটারি ৩৪ বলে ৭৬ রানে ভর করে এদিন চিপকে নাইটদের ২০৫ রানের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা দেয় আরসিবি। জবাবে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি নাইটরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.