মস্কো: শুধু বিশ্বকাপ বলে নয় বছরের ৩৬৫ দিন রোনাল্ডো-মেসির খেলা দেখেন মানুষ৷ এই দুই ফুটবলারের পায়ের জাদুতে মনের অসুখ সারে৷ কিন্তু শনিবারটা ছিল যেন বিশ্বকাপের তারা খসার রাত৷ প্রথমে স্পেনের কাছে হেরে মেসিদের বিদায়৷ কয়েক ঘণ্টা পর উরুগুয়ের ফুটবলাররা রোনাল্ডোর বিশ্বকাপ হাতে নেওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়৷ দুই তারকার বিদায়ের ছায়া পড়ল কাজান এবং ফিস্তের গ্যালারিতে৷ দুটো স্টেডিয়ামেই ক্যামেরাতে ধরা পড়ল বিষন্ন সমর্থকদের মুখ৷

তবে সিআর সেভেন এবং এলএম টেন-কে যে শুধু মস্কোর গ্যালারি মিস করবেন এমনটাতো নয়৷ এই দুই কিংবদন্তির ফুটবলারকে পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে মিস করবেন বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা ফুটবলাররা৷বাংলার বুকে ইচ্ছাপুরের শিবশঙ্কর কিংবা খিদিরপুরের উৎসবদের কাছেও ঔজ্বল্য হারাল বিশ্বকাপ৷

বিশ্বকাপে দুই ভগবানের বিদায়ের দিনে মিল রয়েছে অনেক৷ দুই তারকারই এটা ছিল অঘোষিত শেষ বিশ্বকাপ৷ দুজনেই ছিটকে গেলেন প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বে৷ সেটাও একই দিনে৷ দুজনের দলই ছিটকে গেল এক গোলের ব্যবধানে৷ কাভানিদের কাছে রোনাল্ডোর পর্তুগালের হার ২-১ গোলে৷ আর আর্জেন্তিনা ফ্রান্সের কাছে হারে ৪-৩ গোলে৷ দুই ম্যাচেই কিন্তু তারকা রোনাল্ডো-মেসি গোল পাননি৷ ফ্যানেদের মনে এরাই কিন্তু ‘গ্রেটেস্ট অফ অল টাইম’ বলে সন্মান পান৷ কী আশ্চর্য সেই তারকারাই নকআউট পর্বে চূড়ান্ত ব্যর্থ৷ মিল আরও আছে৷ রাশিয়ার মাটিতে দুই তারকাই গ্রুপ পর্বে একটি করে পোনাল্টি মিস করেছেন৷