স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: পুলিশের অনুমতি মেলেনি। অবশেষে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে গণেশ পুজো করলেন বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত। তাঁর পুজোর উদ্বোধন করলেন মুকুল রায়। এবার সপ্তম বছরে পড়ল সল্টলেক মৈত্রী সংঘের গণেশ পুজো।

সল্টলেকের ওই ক্লাবটির অন্যতম মুখ্য সংগঠক রাজারহাট-নিউ টাউনের বিধায়ক তথা বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত। এবছর ছোট করে হলেও রীতি মেনেই শনিবার পুজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল।

বিজেপি নেতা মুকুল রায়, মৈত্রী সংঘের সভাপতি সব্যসাচী দত্ত, তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রানী দত্ত সহ বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উদ্বোধনের সময় ছিলেন। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে সমস্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনেই পুজোর আয়োজন করা হয়। ২২ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত এখানে পুজো চলবে।

করোনা আবহে মৈত্রী সংঘের পুজো ঘিরে জটিলতা দেখা দেয়। স্থানীয় প্রশাসন, বিশেষ করে বিধাননগর পুরসভা এবং বিধাননগর পুলিশ কেউই এই পুজোর অনুমতি না দেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মৈত্রী সংঘের সভাপতি তথা বিজেপি নেতা সব্যসাচী দত্ত।

আদালতের রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর পুজোর প্রস্তুতি শুরু হয়। সব্যসাচী দত্ত জানিয়েছিলেন,”পুজো নিয়ে আদালত সুস্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে। আমরা আদালতের কপি হাতে পাওয়ার পর বিদ্যুৎ দফতরের কোটেশন, বিধাননগরে পুরনিগম ও দমকল বিভাগের পারমিশন লেটার এবং তার সঙ্গে আদালতের রায়ের কপি বিধাননগর উত্তর থানায় জমা দিতে গিয়েছিলাম। তারা সেটি জমা নেয়নি।

তারপর বিধাননগর কমিশনারেটে ইমেল করে সেটি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সেটির হার্ড কপিও জমা করা হয়েছে। তবে এদিন রাত পর্যন্ত কোনও উত্তর আসেনি।” জানা গিয়েছে, আদালতের রায়ের পর পুজোর অনুমোদন দিয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেট।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।