ম্যাঞ্চেস্টার: জিতেই চলেছে ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। মঙ্গলবার একটা সময় অবধি মনে হচ্ছিল বুঝি টানা ১৪ ম্যাচ জয়ের পর আটকে যাবে স্কাই ব্লুজ’রা। কিন্তু শেষ দশ মিনিটে গিয়ার তুলে উলভসকে ৪-১ গোলে হারাল পেপ গুয়ার্দিওলার ছেলেরা। সেইসঙ্গে প্রিমিয়র লিগে টানা ১৫ এবং সবধরনের প্রতিযোগীতায় টানা ২১ ম্যাচে জয় পেল তারা।

এদিন উলভসকে হারানোর সঙ্গে সঙ্গে নিজেদেরই একটি পুরনো রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলল গুয়ার্দিওলার ছেলেরা। সবধরনের প্রতিযোগীতা মিলিয়ে ২৮ ম্যাচে অপরাজিত সিটি ২০১৭ নিজেদেরই পুরনো একটি রেকর্ড স্পর্শ করল এদিন। ২০২০ ডিসেম্বর থেকে সবধরনের প্রতিযোগীতায় সমস্ত ম্যাচ জিতেছে স্কাই ব্লুজ’রা। গত ১৯টি ম্যাচে সিটি এক মুহূর্তের জন্যেও কোনও প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েনি। এদিনও তার অন্যথা হয়নি।

ম্যাচের ১৫ মিনিটে লিয়েন্ডার ডেনডঙ্কারের আত্মঘাতী গোলে ম্যাচে লিড নেয় ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। প্রথমার্ধে প্রায় ৮০ শতাংশ বল নিজেদের দখলে রেখেও এই একমাত্র গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় সিটি। তুলনায় প্রথমার্ধে সিটির মিডফিল্ডারদের দাপটে হাতে গোনা কয়েকবার মাঝমাঠ পেরোতে সক্ষম হয় উলভস। তবে ৬১ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফিরিয়ে সিটিকে চমকে দেন কোনর কোয়াডি। জোয়াও মৌতিনহোর ফ্রি-কিকে হেডে গোল করেন তিনি। এরপর ৭৯ মিনিট অবধি ১-১ অবস্থায় ছিল ম্যাচ। তবে ম্যাচে ফের এগিয়ে যেতে আরও শক্তিশালী রুপে ধরা দেয় সিটি।

জোড়া সহজ সুযোগ নষ্টের পর অবশেষে ৮০ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল জেসুসই লিড এনে দেন ম্যান সিটিকে। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ৩-১ করেন রিয়াদ মাহরেজ। আর ম্যাচের লাস্ট কিক থেকে ক্লোজ রেঞ্জ শটে দ্বিতীয়বার বল জালে রাখেন ব্রাজিলিয়ান জেসুস। নিজেদের রেকর্ড নিজেরাই ছুঁয়ে প্রিমিয়র লিগে আপাতত ২৭ ম্যাচে ৬৫ পয়েন্টে পৌঁছে গেল সিটি। দ্বিতীয়স্থানে থাকা ম্যান ইউ’য়ের থেকে ১৫ পয়েন্ট এগিয়ে তারা।

ম্যাচ শেষে গুয়ার্দিওলা বলেন, ‘তুমি যখন টানা ২০ ম্যাচে জয় তুলে নিচ্ছো তখন রোজ রোজ ৩-০, ৪-০ কিংবা ৫-০ জয় সম্ভব নয়। তাই কঠিন পরিস্থিতি থেকে দল কীভাবে বেরিয়ে আসে আমি সেটাই লক্ষ্য করছি এখন।’ একইসঙ্গে ম্যান ইউ এখনও তাদের চিন্তার কারণ বলে জানান পেপ। আগামী ৭ মার্চ ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বিতে মুখোমুখি দুই দল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।