করোনার ভ্যাকসিন

লন্ডন: করোনা মহামারীতে ধুঁকছে গোটা বিশ্ব। রাশ টানতে দরকার গণহারে টিকাকরণ (Vaccination)। কিন্তু বিশ্বের অনেক দরিদ্র দেশ আছে যাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা (Health Worker)এখনও পর্যন্ত টিকা পাননি। এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (World Health Organization)। শুধু তাই নয় বাড়তি টিকার বড় একটি অংশ দরিদ্র দেশগুলোতে না পাঠায় তাহলে করোনাভাইরাস টিকার (Corona vaccine) লক্ষ লক্ষ ডোজ নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইউনিসেফ (Unicef)। এহেনপরিস্থিতিতে আশার আলো দেখালো ব্রিটেন। বৃহস্পতিবার ব্রিটেনের তরফে জানানো হল যে, G-7 এ অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রনেতারা কোভিড ভ্যাকসিন উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ করতে অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবে। করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোকে সবরকম অর্থ সাহায্য এবং কমপক্ষে এক বিলিয়ন ডোজ সরবরাহ করবে।

ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তের জনপ্রিয় পর্যটন-শহর কর্নওয়ালে এই শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। জি-৭ সম্মেলন শুরুর আগেই বিশ্ববাসীকে টিকা নিয়ে বার্তা দিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। বললেন, আগামী বছরের মধ্যে কমপক্ষে ১০০ মিলিয়ন উদ্বৃত্ত টিকা দান করা হবে, আসন্ন সপ্তাহের শুরুতে পাঁচ মিলিয়ন টিকা দান করা হবে। টিকার সমতা ফিরিয়ে আনতে এই সিদ্ধান্ত। যদিও টিকা দান করা নিয়ে আগেই মুখ পুড়েছে ব্রিটেনের। ৪০০ মিলিয়ন উদবৃত্ত ডোজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যর্থ হয়েছিল তারা।

ডাউনিং স্ট্রিটের একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে: “জি-৭ এ অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রনেতারা কোভিড ভ্যাকসিন উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বিশ্বব্যাপী সরবরাহ করতে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ভ্যাকসিন উত্পাদন বৃদ্ধির নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হতে পারে। “

ইতিমধ্যেই, করোনা মহামারীতে (Corona pandemic) বিশ্বব্যাপী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন জো বাইডেনের (Joe Biden)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন , ৫০ কোটি ফাইজারের কোভিড টিকার ডোজ কিনে বিশ্বের ৯২টি আর্থিক ভাবে দুর্বল দেশকে দান করবে আমেরিকা। বিশেষ করে, এশিয়া ও আফ্রিকার তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলিতে আগামী বছর এই কোভ্যাক্স কর্মসূচিতে এই পদক্ষেপ করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

উল্লেখ্য, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ডাক পেয়ে সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Nrendra Modi)। যদিও তিনি ভার্চুয়ালি ওই সম্মেলনে যোগ দেবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.