বেজিং:  হোটেলে স্বভাবতই এই দম্পতির সঙ্গে আরও পাশাপাশি ঘরে আরও বেশ কয়েকজন দম্পতি ছিলেন। কিন্তু এমন ঘটনা যে ঘটবে রাত্রিবেলাতে তা মুহূর্তের জন্যেও বুঝতে পারেনি অন্যান্যরা। ভাবছেন ঘটনাটি কি? আরে হোটেলের নিজের ঘরের মধ্যেই সঙ্গিনীর সঙ্গমে মীলিত হন এই দম্পতি। সেই সময় কি কোনও হুশ থাকে! তাই মিলনের সময়ে একটু বেশি জোরেই চিৎকার করে বসেছিলেন সঙ্গিনী। আর তাতেই যা ঘটনার ঘটে গেল!! ঘুম ভেঙে যায় পাশের রুমের অন্যান্যদের। প্রথমদিকে সেই আওয়াজ সহ্য করলেও বেশিক্ষন তা মেনে নেওয়াটা বেশ কষ্টকর হয়ে ওঠে। আর তাতেই দল বেঁধে এসে দরজা ভেঙে সেই যুবককে পেটাতে শুরু করেন হোটেলের অন্যান্য মানুষজন। ঘটনা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় যে ছুটে আসে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে চিনের গুয়ানক্সির বেইহাই শহরে।

মাঝরাতে শহরের একটি বিলাশবহুল হোটেলে মিটিংয়ের জন্য জড়ো হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন যুবক। পরদিন সকালে মিটিং হওয়ার কথা! সবাই এক জায়গায় থাকলে যা হয়! গল্প করতে করতে বেশ কিছুটা সময় কেটে যায়। তাই ঘুমোতেও দেরিও হয়। কিন্তু ঘুমতে গিয়ে যেমন এমন ব্যাঘাত ঘটবে তা বোধহয় কল্পনাতেও ভাবতে পারেননি। কারণ পাশের ঘর থেকে ভেসে আসছিল শিৎকার। বুঝতে পারেন পাশের কোনও রুমে সঙ্গমে লিপ্ত রয়েছে কোনও যুগল। কিন্তু, ক্রমেই যেন সেই চিৎকার বেড়ে যাচ্ছিল। যা তাঁদের ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল। আর বসে থাকতে পারেননি তাঁরা। আওয়াজ কমানোর অনুরোধ জানাতে ওই রুমের সামনে যান। একে একে অনেকেই জড়ো হন। দরজার বাইরে থেকে ওই যুগলের কাছে অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু, সেই আবেদন কানে তোলেননি তাঁরা। উলটে চিৎকারের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। এরপর কোনও উপায় না দেখে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন অন্য রুমের আবাসিকরা। মারধর করা হয় সঙ্গমরত ওই যুবককে। অবস্থা এমন জায়গায় পৌঁছে যায় পুলিশ ডাকতে বাধ্য হয় হোটেল কতৃপক্ষ। শেষমেশ পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।