নয়াদিল্লি : সোমবার থেকে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দফা (Parliament Budget Session)। অধিবেশনের শুরুতেই জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি (Fuel prices) ইস্যুতে মুলতুবি হয় সংসদ। দফায় দফায় সংসদ মুলতুবি হয়ে যায় এদিন। বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে প্রথম দেশ জুড়ে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরব হন। তারপরেই সরব হয় অন্যান্য বিরোধী দল। পেট্রল, ডিজেল ও এলপিজির ক্রমবর্ধমান দামের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তাঁরা।

রাজ্যসভায় এই ইস্যুতে মুলতুবি প্রস্তাব আনেন কংগ্রেস নেতা মণীশ তিওয়ারি। তারপরে আলোচনা শুরু হয়। উল্লেখ্য চার রাজ্যে ও একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবারের অধিবেশন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। মার্চ মাসের শেষ থেকেই অসম, পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরীতে বিধানসভা নির্বাচন। এদিন রাজ্যসভায় জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ইস্যু ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই আলোচনার দাবি জানাতে থাকেন বিরোধীরা। বেলা ১১টা পর্যন্ত মুলতুবি করে দেওয়া হয় রাজ্যসভা। পরে ফের অধিবেশন শুরু হলে, বিরোধীদের হইহট্টগোলে ফের তা মুলতুবি করে দেওয়া হয় বেলা একটা পর্যন্ত।

এদিকে, সকাল ৯টা থেকে বেলা দুটো পর্যন্ত রাজ্য সভার অধিবেশন চলবে বলে জানিয়ে ছিলেন লোকসভার স্পীকার ওম বিড়লা। রবিবার তিনি আরও জানিয়ে ছিলেন লোকসভার অধিবেশন শুরু হবে বেলা ৪টে থেকে। চলবে ১০টা পর্যন্ত। এদিকে, জানা গিয়েছে, বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দফার সমাপ্তি হতে চলেছে আটই এপ্রিল। বাজেট অধিবেশনের প্রথম দফা শুরু হয় জানুয়ারির ২৯ তারিখ। শেষ হয় ফেব্রুয়ারি ২৯ তারিখ। প্রথম দফায় সাংসদদের উপস্থিতি ছিল ৯৯.৯ শতাংশ। পয়লা ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বাজেট পেশ করেন। লোকসভা সচিবালয় সূত্রে খবর বাজেট অধিবেশন ২০২১-এ লোকসভার কাজের সময় মোট ৫০ ঘন্টার মধ্যে ৪৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট। অধিবেশনে অংশ নিয়েছিলেন ৪৯ জন মহিলা সাংসদ।

এদিকে, করোনা ভ্যাকসিনেশন ক্যাম্প খোলা হল সংসদ চত্বরেই। প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীরা এখানে কাজ করবেন। লোকসভা বুলেটিনে বলা হয়েছে, সাংসদদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই ক্যাম্প করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সমস্ত করোনা বিধি মেনে ক্যাম্প খোলা হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.