নয়াদিল্লি: পেট্রোলের দাম কমার কোনও লক্ষণই নেই। হু হু করে বাড়ছে দাম। গত প্রায় আটদিন ধরে পরপর দাম বেড়েছে। দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ছুঁয়েছে ৭৪ টাকা প্রতি লিটার আর মুম্বইতে সেই দাম ছুঁয়েছে ৮০। মঙ্গলবার ফের নতুন করে বেড়েছে তেলের দাম।

মঙ্গলবার দিল্লিতে পেট্রোলের দাম ৭৪টাকা ১৩ পয়সা প্রতি লিটার। সোমবারের থেকে ২২ পয়সা দাম বেড়েছে। আর ডিজেলের দাম ৬৭ টাকা ৭ পয়সা, বেড়েছে লিটারে ১৪ পয়সা।

কলকাতায় লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম এখন ৭৬টাকা ৮২ পয়সা ৷ শুধু পেট্রোলই নয়, বেড়েছে ডিজেলের দামও ৷ আজ, মঙ্গলবার ডিজেলের দাম বেড়েছে কলকাতায় ১৪ পয়সা ৷ ডিজেলের দাম ৬৯টাকা ৪৯ পয়সা প্রতি লিটার ৷ গত এক সপ্তাহে কলকাতায় পেট্রোলের দাম বেড়েছে ২ টাকারও বেশি ৷ কম যাচ্ছে না ডিজেলের দামও ৷ গত আট দিনে ডিজেলের দাম বেড়েছে ১ টাকা ৬৫ পয়সা ৷

গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে এভাবেই প্রত্যেকদিন একটু একটু করে বাড়ছে তেলের দাম। মূলত সৌদি আরবে ড্রোন হামলার পর থেকেই তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। তেল উৎপাদনের কেন্দ্রে ড্রোন হামলা করেছে হাউতি বিদ্রোহীরা। সেইসব কেন্দ্রে আগুন জ্বলে কয়েকদিন ধরে। তার ফলেই তেলের ভাণ্ডারে টান পড়েছে আর আন্তর্জাতিক বাজারে হু হু করে বাড়ছে তেলের দাম।

এর আগে, বাজেট প্রকাশের পরই দাম বাড়ে পেট্রল-ডিজেলের৷ রাজস্থানে একধাক্কায় লিটার প্রতি ৫ টাকা দাম বাড়ে পেট্রল-ডিজেলের৷ ৫জুলাই মধ্যরাতেই নতুন রেট প্রকাশ পায়৷ এক্সাইজ ডিউটি এবং রোড সেস এক টাকা করে বেড়েছে যার প্রভাব পড়ে জ্বালানিতে৷ এই বৃদ্ধিকে মাথায় রেখেই রাজ্য সরকার ৫ জুলাই একটি ভ্যাট রেটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যা পেট্রলে ২৬ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ এবং ডিজেলে ১৮ শতাংশ থেকে ২২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে৷

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেভাবে হামলা হয়েছে তাতে তেলের মূ্ল্যবৃদ্ধি একটা স্থায়ী সমস্যা হয় উঠতে পারে। তেলের আমদানির জন্য ভারত অনেকাংশেই সৌদি আরবের উপর নির্ভরশীল। তাই ভারতেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।

ইতিমধ্যেই ভারতের তৈলমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সৌদির মন্ত্রীর সঙ্গে এব্যাপারে কথা বলেছেন। ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলের সাপ্লায়ার হল এই সৌদি আরব। সেপ্টেম্বরের জন্য ১.৩ মিলিয়ন টন ইতিমধ্যেই সৌদি থেকে ভারতে এসেছে। বাকিটাও দিয়ে দেওয়া হবে বলে সৌদির তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।