ড. ফুয়াদ হালিম

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভ্যাকসিন, হাসপাতালের বেড, এবং করোনা রোগের ওষুধের কালো বাজারি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করলেন চিকিৎসক তথা বাম নেতা ফুয়াদ হালিম। আগামী বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি টি বি রাধাকৃষ্ণন ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি।

দেশজুড়ে অক্সিজেনের আকাল৷ রাজ্যেও কালঘাম ছুটছে একটা অক্সিজেন সিলিন্ডার জোগাড় করতে৷ এই সঙ্কটকালে শহরে অক্সিজেন সিলিন্ডারের কালোবাজারি রুখতে ইতিমধ্যেই বিশেষ টিম তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালাতে শুরু করেছে এই টিম। যে ওষুধের দোকানগুলি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করে, সেগুলির তালিকা তৈরি হচ্ছে। কোনও দোকানের গোডাউনে অতিরিক্ত সংখ্যক অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত করা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবার কোনও দোকানে যদি মজুত না করা থাকে, তবে সরবরাহের ঘাটতি রয়েছে কি না, সেই বিষয়টিও জানার চেষ্টা করছে এনফোর্সমেন্ট শাখার এই বিশেষ টিম।অক্সিজেন সিলিন্ডার কালোবাজারির চেষ্টা কেউ করলে তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চের আধিকারিকরা।

আরও পড়ুন: করোনার ব্রাজিল, ব্রিটেন ও ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে লড়তে সক্ষম কোভ্যাক্সিন

এদিকে, দেশে চাহিদার কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই করোনার জীবনদায়ী ওষুধ রেমডেসিভিরের উৎপাদন বাড়ানোর কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব। যদিও তারপরেও কমছে না উদ্বেগ। ভ্যাকসিনের পাশাপাশি গত কয়েকদিনে করোনার ওষুধ রেমডেসিভির ও ফ্যাভিপিরাভিরেরও আকাল দেখা দিতে শুরু করে একাধিক দেশে। এরাজ্যেও একই অবস্থা৷ এই সঙ্কটের সুযোগ নিয়ে  অক্সিজেনের মতোই রেমডেসিভিরের ব্যাপক কালোবাজারিও শুরু হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই ওষুধের কালোবাজির ঠেকাতে মজুতদার এবং বিতরণকারীর বিস্তারিত বিবরণ নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করার জন্য রেমডেসিভির উৎপাদনকারীদের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। এছাড়া সঙ্গে ওষুধ পরিদর্শক সংস্থাকেও যেকোনও ধরনের ত্রুটি পরীক্ষা করার পাশাপাশি বেআইনি মজুত রুখতে করা পদক্ষেপেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারপরও কালোবাজারি বন্ধ করা যাচ্ছে না৷ অন্যদিকে, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতেও বেড নিয়ে কালোবাজারি চলছে বলে অভিযোগ৷ তাই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির হাত থেকে রাজ্যবাসীকে রেহাই দিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ফুয়াদ হালিম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.