নয়াদিল্লি: নতুন নির্দেশিকায় একেবারে খাঁটি ১০০ শতাংশ বিশুদ্ধ সরষের তেলই শুধু বেচতে হবে। অন্য কোনও রকম ভোজ্য তেল তার সঙ্গে মেশানো যাবে না। ১ অক্টোবর থেকে এই নির্দেশিকা চালু করছে ফুড সেফটি অ্যান্ড্র স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI)। বর্তমান নিয়মে ২০ শতাংশ পর্যন্ত অন্য কোন ভোজ্য তেল সরষের তেলের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করা যেত। এবার সেটা নিষিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি সরষের তেলের দাম ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এদিকে আবার মুনাফা বাড়াতে কোন কোন সংস্থা বেশি মাত্রায় অন্য কোনও‌ভোজ্য তেল মেশাতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্র। আর সেটা আটকাতেই এমন পদক্ষেপ। কারণ এই বিষয় নিশ্চিত হতে কেন্দ্র ফুড সেফটি অ্যান্ড্র স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে ব্যবস্থা নিতে বলে। এর ফলে ১ অক্টোবর থেকে শুধুমাত্র বিশুদ্ধ সরষের তেল উৎপাদন এবং বিক্রি করা যাবে।

প্রসঙ্গত সরষের তেলে কতটা ভেজাল রয়েছে তা যাচাই করতে অগাস্ট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৪৫০০ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। কলকাতা দিল্লি মুম্বাই চেন্নাই বেঙ্গালুরুর মতো মেট্রো শহর থেকে অন্তত ৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। তাছাড়া ছোট মাঝারি শহরগুলি থেকে ৬-৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

এক্ষেত্রে যেমন সুপার মার্কেট তেমনই আবার পাড়ার মুদির দোকান ‌ সব জায়গা থেকেই নমুনা নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ব্র্যান্ডেড তেলের পাশাপাশি সাধারণ শ্রেণীর সরষের তেলের নমুনা যাচাই করা হয়। এইভাবে সমীক্ষা চালানোর পর ফুড সেফটি অ্যান্ড্র স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া এমন নির্দেশিকা জারি করে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।