ফাইল ছবি৷

নয়াদিল্লি: ধর্ষকদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন লোকসভার সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী। একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় শিউরে উঠেছিল নাগরিক সমাজ।

আবার উত্তরপ্রদেশের উন্নাওতে আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাওয়ার সময়ে পিটিয়ে গায়ে আগুন দিয়ে দেওয়া হয়। মৃত্যু হয় ওই নির্যাতিতার। এরপর থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছিল দেশের জনগণ। মঙ্গলবার সংসদে উপস্থিত হয়ে পর পর ধর্ষণের ঘটনার জন্য দায়ি করেন কেন্দ্রের নিস্ক্রিয়তাকেই। নারী সুরক্ষা এবং ধর্ষণের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নীরব কেন? তা নিয়ে এ দিন সাংসদে সোচ্চার হন তিনি।

সোমবারে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়েছিলেন কংগ্রেসের এই হেভিওয়েট নেতা। আর মঙ্গলবার নারী নিরাপত্তা প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেখানে সব বিষয়ে মতামত দেন। সেখানে নারী নিরাপত্তার মত গুরুতর বিষয়ে তিনি নীরব কেন? এটা ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক। ভারত মেক ইন ইন্ডিয়া নয়, ক্রমশ রেপ ইন ইন্ডিয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।’

এরপরেই ন্যাশনাল রেকর্ডস ক্রাইম ব্যুরোর (এনআরসিবি)-এর পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, ভারতে ২০১৬ সালে ৩৮ হাজার ৯৪৭টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। অর্থাৎ সারা দেশে গড়ে প্রতিদিন ১০৬.৭টি ধর্ষণ ঘটেছে।
অধীরের আগে গত সোমবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী বিজেপি সরকারকে বিঁধে বলেছিলেন, ‘বিশ্বের কাছে ভারত ধীরে ধীরে ধর্ষণের রাজধানী হয়ে উঠছে।’

ঝাড়খণ্ডের একটি জনসভায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘কৃষকরা বুলেটের শিকার হচ্ছেন। এখন তো মেয়েরা ঘরের চৌকাঠ ডিঙোতেও ভয় পায়।’

মঙ্গলবার সংসদে রাহুল গান্ধীর সুরেই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভপ্রকাশ করেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ