নয়াদিল্লি: ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে সীমান্তে লড়াকু বীর জওয়ানদের অবদানকে কুর্ণিশ জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতিমুহূর্তে শ্ত্রুদের সামনে ঢাল হয়ে দেশকে বাঁচানোর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন নমো। লালকেল্লার মঞ্চ থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে দেশের জওয়ানদের জন্য গর্বপ্রকাশ করেছেন।

লাইন-অফ-কন্ট্রোল থেকে লাইন-অফ-অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল সবদিকেই সজাগ রয়েছে ভারতীয় সেনা। যারাই দেশের শান্তি বিঘ্ন ঘটাতে কু-নজরে তাকাচ্ছে তাঁদের প্রত্যেককেই শক্তহাতে কড়া জবাব দিয়েছে দেশের বীর সেনারা।

এই প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “LoC থেকে LAC- যেখানেই বাইরের শক্তি চোখ রাঙিয়েছে, ভারতের শান্তি কেরে নিতে চেয়েছে এবং সার্বভৌমত্ব নষ্ট করার চেষ্টা করেছে সেখানেই সেনা বীরত্ব দেখিয়েছে, মুখের উপর জবাব দিয়েছে”।

প্রসঙ্গত, লাদাখ সীমান্তে ভারতের সঙ্গে চিনের আগ্রাসী সংঘাতে শহিদ হয়েছেন ২০ জন জওয়ান। সেই ঘটনার পরে জুলাই মাসের ৩ তারিখ হঠাতই লাদাখ সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে দেশের বীর জওয়ানদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মনোবল বাড়িয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী সেনাদের উদ্দেশ্যে বলেন, “মাতৃভূমির প্রতি আপনাদের সাহসিকতা সারা বিশ্বজুড়ে অতুলনীয়”।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেক ভারতবাসী বিশ্বাস করে, ভারতীয় সেনারা প্রত্যেকে দেশকে শক্তিশালী ও সুরক্ষিত করতে পারে। মোদী যখন নিমুতে পৌঁছন, তখন সেখানে শুরু হয়ে যায় “ভারত মাতা কি জয়” এবং “বন্দে মাতরম” ধ্বনি। দেখা গিয়েছিল, মোদী সেনা জওয়ানদের সঙ্গে হাঁটছেন, প্রধানমন্ত্রীকে পাশে পেয়ে ঠিক ততটাই উল্লসিত জওয়ানরা।

সেনা জওয়ানদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে পরিস্থিতিতে আপনারা কঠোর পরিশ্রমে নিজেদের সবটা উজাড় করে দিচ্ছেন, তাতে বারবার প্রমাণিত হয় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী বিশ্বের সবার চেয়ে শক্তিশালী এবং উন্নত। সেনাবাহিনীর মনোবল বাড়াতে সীমান্তেও পৌছেছিলেন মোদী।

সীমান্তের পরিস্থিতি কেমন আছে তা নিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছেন। একইসঙ্গে সামরিক হাসপাতালে আহত সৈন্যদের সাথে দেখাও করেছেন, পাশে দাঁড়িয়েছেন। লাদাখের বিষয়ে ভারত চিনকে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে। চিনের নাম না করেই মোদী জানিয়েছিলেন, পড়শি যে কোনও দেশ যদি লাদাখের দিকে তাকায় তবে তার যোগ্য জবাব দিতে তৈরি ভারত।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও