মুম্বইঃ অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনায় নাম লেখানো কোন ইন্ডাস্ট্রিতেই নতুন ঘটনা নয়। সেই দলে এবার নাম লেখালেন বিদ্যুৎ জামওয়াল। বিদ্যুৎ ইন্ডাস্ট্রিতে আজ ১০ বছর পূর্ণ করলেন। মূলত অ্যাকশান হেরো হিসাবেই তিনি দর্শকের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। তাই এবার তিনি তার নিজের প্রডাকশন হাউস লঞ্চ করলেন। আজ তিনি ফ্যানদের জানালেন তার প্রডাকশন হউস লঞ্চের কথা। প্রডাকশনের নাম ‘অ্যাকশন হিরো ফিল্মস’।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ বলেন, ‘দর্শক আমাকে আমার সব রকম চরিত্রেই পছন্দ করেছে তাই তাদের ভালোবাসার জেরেই আমি এবার প্রযোজকের ভূমিকায় আসতে পেরেছি। এখন আমার পালা তাদের কিছু ফিরিয়ে দেওয়া। যাদের প্রতিভা আছে তাদের জন্যে এটি একটা ভালো সুযোগ বলে মনে করছি আমি। বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতে ‘অ্যাকশন হিরো ফিল্মস’ এর ছাপ রাখতে পারবো আশা রাখছি। আমি আমার সকল ফ্যানদের কাছে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার পাশে থাকার জন্যে।’

অভিনেতা নিজের প্রডাকশন হাউস নিয়ে বলেছেন, তার উদ্দেশ্য শীর্ষস্থানীয় প্রযোজকদের মধ্যে একজন হয়ে ওঠার এবং ভারতীয় সিনেমার কনটেন্টে বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা প্রদান করা। যাতে বিশ্ব দর্শকদের কাছে ভারতীয় সংস্কৃতি, গল্প তুলে ধরা যায়। বিদ্যুৎ মনে করেন তার প্রডাকশনের অধীনে যে সকল ছবি তৈরি হবে সেগুলি অনেকটা ইতিবাচক এবং একটু হলেও মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে।

বিদ্যুৎ নিজের সোশ্যাল মিদিয়াতেও এই খবরটি জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘সিনেমায় ১০ বছর পূর্ন করার খুশি এবং তার সঙ্গে আমি ভীষণই ধন্য আমার জীবনের এমন একটা মাইলস্টোন তোমাদের কাছে ভাগ করে নিতে পেরে। আমি লঞ্চ করছি আমার প্রডাকশন হাউস ‘অ্যাকশন হিরো ফিল্মস’। সহ প্রযোজনায় আছেন আব্বাস সাইয়েদ।

বিদ্যুৎ তার বলিউড ডেবিউ করেছিলেন ২০১১ সালে জন এব্রাহামের সঙ্গে ‘ফোর্স’ ছবি দিয়ে। গতবছর ডিজনি প্লাস হটস্টারে মুক্তি পাওয়া তার ‘খুদা হাফিজ’ ছবিটির জন্যে অনেক প্রশংসাও পেয়েছেন। এবছর তার পরের ছবি ‘সানাক’এর ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। ছবিত পরিচালক ভিপুল অমরুতলাল শাহ। ছবিতে তার উল্টো দিকে রয়েছেন টলিউডের অভিনেত্রী রুক্মিণী মিত্র। এই ছবি দিয়ে রুক্মিণী তার বলিউড ডেবিউ করছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.