দৈনন্দিন জীবনে নুন ছাড়া আমরা চোখে শূন্য দেখবো। তাই এর গুরুত্ব যে অপরিসীম তা আর বলে বোঝাতে হবে না। নুনের এক জীবাণুনাশক গুণ আছে। অধিকাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণীই তাদের খাদ্যে প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে এই নুনের ব্যবহার করে থাকে।

নুনের নির্দিষ্ট পরিমাণে গ্রহণ না করলে যেমন রোগ হয় তেমন অল্পমাত্রায় হলেও শরীর রক্ষার জন্য এই যৌগিক পদার্থটি খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করা রোজ আবশ্যক। শারীরবৃত্তীয় কাজে এর এই গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতির জন্যই যবে থেকে নুন ব্যবহারের প্রচলন শুরু হয়েছে তার পর থেকেই সেই প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আধুনিক যুগে এসেও মানুষের মনে নিজের থেকেই এই উপাদানটি নিয়ে কিছু সংস্কার তৈরি হয়ে গিয়েছে যা এখনো মেনে চলা হয় অনেক ক্ষেত্রেই।

মিশরীয়রা নুন দিয়ে একটি রীতি পালন করতেন যা খুবই অদ্ভুত। তবে এর পেছনের কারণটি বেশ সৎ উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। তপ্ত মরুভূমির ওপর যাত্রা শুরু করার অনেক আগে থেকেই নুন পুড়িয়ে তা মরুভূমির বালির ওপর ছিটিয়ে রাখতেন তারা।

আরো পোস্ট- মহামারীর নাম “হাসি”! কারা হয়েছিল আক্রান্ত

প্রাচীনকালে মিশরে দুই পক্ষের মধ্যে সন্ধি বা চুক্তি তৈরি করার সময় পূর্বতন দুই বিবদমান পক্ষ একসঙ্গে মুখে অল্প পরিমাণে লবণ ভরে দিতেন। দু’জনের একসঙ্গে লবণ খাওয়ার অর্থই হলো যে এক অবিচ্ছেদ্য বন্ধুত্বের বন্ধনে নাকি বাঁধা পড়ে গেলেন তারা। এর ফলে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিও তৈরি হতো না তাদের মধ্যে। মিত্রতাপূর্ণ সম্পর্ক অটুট থাকতো। এমনকি অন্য কোনো তৃতীয় শক্তি তাদের কারুর সঙ্গে যুদ্ধ করতে এলে তারা একে অপরের জন্যে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তো।

আবার শুধু তাই না, প্রাচীন যুগের কিছু জাদুকর ও অ্যালকেমিস্টরা ব্ল্যাক ম্যাজিক ও বিভিন্ন ভূতের উপদ্রবের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নুন একটি বোতলে ভরে রেখে তা ব্যবহার করতেন। তাদের বিশ্বাস ছিল যে লবণ সেই ভূতদের অবসাদগ্রস্ত ও নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.