ওট্টাওয়া: ভারতের সঙ্গে চিনের সংঘাত রক্তক্ষয়ের পর্যায়ে গিয়েছে জুন মাসের ১৫ তারিখ। এবার বিশাল সংখ্যায় কানাডিয়ানদের আটকে রাখার জন্য চিনা কনস্যুলেটের সামনে প্রতিবাদ প্রদর্শন করল ‘ফ্রেন্ডস অফ ইন্ডিয়া’।

কানাডা সরকারের হুয়াই এক্সিকিউটিভ মেং ওয়াংঝুকে গ্রেফতার নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক রয়েছে। দুই দেশের কূটনৈতিক বিষয়ে মন্তব্য করায় গ্রেফতার করা হয়েছে দুই নাগরিককে।

‘ফ্রেন্ডস অফ ইন্ডিয়া’র সঙ্গে যুক্ত মনিন্দর সিং গিল জানিয়েছেন, “গোটা বিশ্বের সকলকে উৎপীড়িত করছে চিন”। গ্লোবাল নিউজকে গিল জানিয়েছেন, “তাই চিন সরকারকে আমরা কঠিন বার্তা দিতে চাই তাই চিনা কনস্যুলেটের সামনে প্রতিবাদ প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে”।

২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসের ১ তারিখ হুয়াই প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও রেন ঝেংফেই কন্যা মেং ওয়াংঝুকে ভ্যানকুভার বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয়েছে। হংকং থেকে মেক্সিকো যাওয়ার পথে এই ঘটনা ঘটেছে। ইরানের সঙ্গে চুক্তি ভাঙায় মদতের অভিযোগে তাঁকে নজরে রেখেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার।

 

 

এদিকে, ২০০৮ সালের পরে প্রথম জাপান সফরে যাওয়ার কথা ছিল চিনের প্রেসিডেন্ট জিংপিংয়ের। প্রথমে তা এপ্রিল মাসে স্থির হলেও করোনা ভাইরাসের আবহে তা পিছিয়ে গিয়েছে। তবে ইতিমধ্যেই চিন বিরোধী সুরে প্রতিবাদ শুরু হয়েছে শাসক দলের তরফে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির তরফে এ বিষয়ে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে তাই টোকিওর তরফে এই সফর বাতিল করার বিষয়টিও ভেবে দেখা হচ্ছে।

অনেকদিন থেকেই চিন-জাপান সম্পর্কের পারদ চড়ছে তবে সাম্প্রতিক খোঁচার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রয়েছে চিন অনুমোদিত হংকংয়ের জাতীয় সুরক্ষা আইন। আইনগত এই ভাবনা নিয়ে চিনকে ভালো চোখে দেখছে না জাপানও। মনে করা হচ্ছে, সম্প্রতি পাস হওয়া চিনের সুরক্ষা আইন হংকংয়ে জাপানিজদের এবং জাপানি কোম্পানিদের অধিকার খর্ব করতে চলেছে।

করোনা ভাইরাসকে সামনে রেখে আক্রমনাত্মক কূটনীতি এবং হংকংয়ের উপর আরও ক্ষমতা কায়েম করার চেষ্টা চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে চিন, যে কারণে লাল চিনকে কাঠগড়ায় দাড় করিয়েছে জাপান। হংকং একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক আর্থিক কেন্দ্র এবং তা নিয়ে বরাবরই আগ্রহ দেখিয়েছে জাপান।

বর্তমানে হংকংয়ে ১৪০০ জাপানি কোম্পানির অস্তিত্ব রয়েছে এবং দীর্ঘদিন যাবত জাপান থেকে কৃষিজাত দ্রব্য সবচেয়ে বেশি পরিমাণ আমদানি করে আসছে হংকং। জাপানের ব্যাবসায়িক কমিউনিটি মনে করে করছে চিনের নতুন আইন হংকংয়ে দীর্ঘদিনের প্রতিষ্ঠানকে নাড়িয়ে দেবে। ব্যপক পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে জাপান।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ