ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি:  প্রকাশ্যে ছাত্রীর অশ্লীল এমএমএস! বন্ধুরা ওই ছাত্রীর অশ্লীল এমএমএস বানায় আর তা ছড়িয়ে দেয়।  আর তা প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।  ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির আইপি এস্টেট এলাকায়। ইতিমধ্যে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।  অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগেই ওই ছাত্রী তার এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়েছিল৷ সেই সময় পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে নির্যাতিতা তরুণীকে বেহুশ করে দেয় বলে অভিযোগ।  এরপরে তার বন্ধুই তাঁর অশ্লীল এমএমএস বানিয়ে বাকি বন্ধুদের মধ্যে বিলিয়ে দেয় বলে অভিযোগ৷ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশের কাছে আভিযোগ জানায় কিশোরী৷ কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ৷ তবে এখনও পুলিশ এখনও এমএমএস উদ্ধার করতে পারেনি৷

পুলিশ ওই ছাত্রীর বন্ধুদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার তদন্ত করছে৷ পুলিসের সুত্র অনুযায়া কিশোরী তার পরিবারের সঙ্গে অন্না নগর এলাকায় থাকে৷ পাশেরই একটি স্কুলে সে দশম শ্রেণীতে পরে৷ তার বন্ধুরাই তাকে এই এমএমএসের কথা বলে৷ কিশোরী তার পরিবারকে এই ঘটনার কথা বললে তারা পুলিশে খবর দেয়৷ এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.